Advertisement
E-Paper

ঘূর্ণিঝড়ের দোসর পূর্ণিমার ভরা কটাল! উপকূলে মঙ্গলবার থেকে উত্তাল সমুদ্র, সতর্ক করে প্রচার সুন্দরবনে

মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ উপকূল এবং সংলগ্ন এলাকায় দমকা ঝড়ের গতি হতে পারে সর্বোচ্চ ৫৫ কিলোমিটার। সমুদ্র থাকবে অতি উত্তাল।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:১৬
সুন্দরবনে ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সতর্ক করে প্রচার চলছে।

সুন্দরবনে ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সতর্ক করে প্রচার চলছে। — নিজস্ব চিত্র।

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব স্থলভাগে আছড়ে পড়বে বুধবার। পশ্চিমবঙ্গ থেকে সুদূরে তা আছড়ে পড়লেও তার প্রভাবে দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলবর্তী এলাকা এবং সুন্দরবনে। ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা রয়েছে। তার সঙ্গে দোসর পূর্ণিমার ভরা কটাল। ফলে নদী ও সমুদ্র উত্তাল হয়ে ওঠার পাশাপাশি জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনাও রয়েছে। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন। মাইকিং চলছে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকায়, নামখানায়, মৌসুনি দ্বীপে।

ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার কারণে সমুদ্র এখন উত্তাল। বঙ্গোপসাগরের সংশ্লিষ্ট অংশের উপর ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হচ্ছে। উপকূলের দিকে যত এগোবে, ঝড়ের গতি আরও বাড়বে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ উপকূল এবং সংলগ্ন এলাকায় দমকা হাওয়ার গতি হতে পারে সর্বোচ্চ ৫৫ কিলোমিটার। সমুদ্র থাকবে অতি উত্তাল।

পরিস্থিতি সামাল দিতে নামখানা-সহ জেলার বিভিন্ন উপকূলবর্তী থানার পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে মাইকিং। নদী ও সমুদ্রে থাকা মৎস্যজীবীদের সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নদী ও সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে বারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় গঙ্গাসাগর, বকখালি ও মৌসুনি দ্বীপে প্রস্তুত রাখা হয়েছে সিভিল ডিফেন্সের কর্মীদের। সুন্দরবনের সমস্ত ব্লক প্রশাসনকেও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নদীবাঁধ সংলগ্ন এবং নিচু এলাকাগুলিতে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। ঝোড়ো হাওয়া, ভারী বৃষ্টি এবং ভরা কটালের সম্মিলিত প্রভাবে উপকূলবর্তী এলাকায় জলস্তর বৃদ্ধি পেতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করতে জোরদার করা হয়েছে প্রচার।

অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের পর আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে এবং অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলে বাপাতলা, বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী অংশ দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। ‘ল্যান্ডফলের’ সময় ঝড়ের গতি থাকবে ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার। দমকা হাওয়ার বেগ পৌঁছে যেতে পারে ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারেও।

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy