বর্ধমানের নবাবহাটে এক বেসরকারি নার্সিংহোমে মৃত্যু হয়েছিল চার বছরের অরণ্য রায়ের। শুক্রবার এই ঘটনার তদন্তে বর্ধমানে যায় তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দফতরে গিয়ে তাঁরা কথা বলেন মৃত শিশুর মা শিল্পা রায়, মামা সৌত্রিক হুঁই-সহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। অন্য দিকে, ন্যায়বিচারের আশায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছেন অরণ্যের মা।
গত ২ সেপ্টেম্বর পূর্ব বর্ধমানের নার্সিংহোমে চার বছরের শিশু অরণ্যকে ভর্তি করিয়েছিলেন তাঁর বাবা-মা। সেই নার্সিংহোমে অরণ্যের ফাইমোসিসের চিকিৎসা করেছিলেন সাইদুল হক, যাঁর রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে। নার্সিংহোমে ভর্তির দিনই মৃত্যু হয় অরণ্যের। ওই ঘটনায় দুই চিকিৎসক-সহ ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার বর্ধমানে যায় তিন সদস্যের তদন্তকারীদল। প্রথমে তাঁরা জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দফতরে যান। সেখানে মৃত শিশুর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রতিনিধিদলে ছিলেন চিকিৎসক দিলীপ কুমার মণ্ডল-সহ তিন জন। দিলীপ জানান, তাঁরা তদন্ত করেছেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে। এর বেশি কিছু এখনই বলা সম্ভব নয় বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
তদন্তকারী দলের কাছে সেদিনের ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেছেন অরণ্যের মা শিল্পা রায়। তাঁর কথায়, বিচার পাওয়ার আশ্বাস পেয়েছেন তাঁরা। সন্তানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে চান এবং সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চান তিনি। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান। অরণ্যের মামা সৌত্রিক হুঁইয়ের দাবি, ঘটনায় এখনও যাঁরা অধরা, তাঁদের গ্রেফতার করা হোক। সৌত্রিকের দাবি, তাঁদের কাছে আরও অনেক প্রমাণ রয়েছে।