আসন্ন পুর নির্বাচনের জটিলতা কাটল। বৈদ্যুতিন ভোটযন্ত্রের (ইভিএম) অপ্রতুলতার জন্য পুরনির্বাচন করাতে সমস্যার কথা জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এর প্রেক্ষিতে কলকাতা পুরসভার তিনটি ওয়ার্ড এবং কাঁথি পুরসভার ইভিএম বাদ দিয়ে যে সমস্ত ইভিএম সংরক্ষণ করা ছিল, সেগুলির তথ্য মুছে ফেলতে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।
প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে ও বিচারপতি ওম নারায়ণ রাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চে বুধবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে পুর নির্বাচন করাতে প্রস্তুত। কিন্তু সেই সঙ্গে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে, ইভিএমের অপ্রতুলতার সমস্যা মেটাতে আগের সংরক্ষিত ডেটা মুছে ফেলতে হবে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আগেই জানিয়েছিল, হাতে আগের একাধিক নির্বাচনের ইভিএম এখনও সংরক্ষিত রয়েছে। সেগুলি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হলে পুর নির্বাচন আয়োজনের অসুবিধা নেই।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, গত ১২ অক্টোবর এই মামলার আগের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বেঞ্চ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছিল, মামলায় জড়িত ভোটযন্ত্র (ইভিএম) থেকে হার্ড ডিস্কে তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব কি না এবং ভোটে ইভিএম ব্যবহারের আগে আগের তথ্য মুছে ফেলা জরুরি কি না। জবাবে কমিশন জানিয়েছিল, তা সম্ভব। কিন্তু অতীতে পুরনির্বাচন ঘিরে মামলার জেরে বেশ কিছু ইভিএম সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গত, নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে কলকাতা-সহ একাধিক পুরসভার ভোট হওয়ার কথা। কিন্তু রাজ্য নির্বাচন কমিশনের হাতে পর্যাপ্ত ইভিএম না থাকায় মামলায় জড়িত ইভিএম গুলির তথ্য মুছে ফের ব্যবহার করার জন্য তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ শুধুমাত্র কাঁথি পুরসভার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অন্য পুরসভাগুলির বিষয়টি হাই কোর্টের বিবেচনাধীন।