Advertisement
E-Paper

ফ্রিজে পচা ময়দা-দই! নেই লাইসেন্সও, মায়াপুরের হোটেল-রেস্তরাঁয় হানা দিয়ে বিস্মিত খাদ্য সুরক্ষা দফতর

রাজকুমার রায় নামে এক ব্যবসায়ী জানান, মাত্র এক মাস আগে দোকান চালু করায় এখনও লাইসেন্স হাতে পাননি।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ১৭:৫৯
মায়াপুরের হোটেলে শুক্রবার চলছে অভিযান।

মায়াপুরের হোটেলে শুক্রবার চলছে অভিযান। — নিজস্ব চিত্র।

উৎসবের আবহে গোটা রাজ্য জুড়েই কড়া নজরদারি চালাচ্ছে খাদ্য সুরক্ষা দফতর। কলকাতা থেকে জেলা— খাবারে ভেজাল দেওয়া রুখতে রেস্তরাঁগুলিতে ধারাবাহিক ভাবে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। শুক্রবার নদিয়ার বিখ্যাত তীর্থ ও পর্যটনক্ষেত্র মায়াপুরের হোটেল-রেস্তরাঁগুলিতেও অভিযান চালাল প্রশাসন।

শুক্রবার সকালে মায়াপুরের ইসকন মন্দির সংলগ্ন এলাকায় ফুটপাথের উপরে গজিয়ে ওঠা অস্থায়ী ও স্থায়ী খাবারের দোকানগুলিতে আচমকা হানা দেন খাদ্য সুরক্ষা দফতর এবং ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকেরা। দোকানগুলিতে স্বাস্থ্যবিধি, পরিচ্ছন্নতা মানা হচ্ছে কি না, খাবারের মান কেমন, তা খতিয়ে দেখাই ছিল উদ্দেশ্য। দোকানগুলির বৈধ বাণিজ্যিক অনুমোদন (ট্রেড লাইসেন্স) এবং ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অব ইন্ডিয়া (এফএসএসএআই)-এর অনুমতি রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখেন আধিকারিকেরা।

খাদ্য সুরক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু হোটেলের রান্নাঘর ছিল খুব নোংরা। শুধু তা-ই নয়, রেফ্রিজারেটর খুলতেই বেরিয়ে আসে পচা দই, নষ্ট হয়ে যাওয়া ময়দা এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়া খাবার। অভিযোগ, বেশির ভাগ হোটেলের মালিকই উপযুক্ত ট্রেড লাইসেন্স বা এফএসএসএআই সনদপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। নিয়ম ভেঙে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও পরিবেশন করার অপরাধে একাধিক হোটেল মালিককে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়।

প্রশাসনের প্রশ্নের মুখে পড়ে নিজস্ব ‘সাফাই’ দিয়েছেন রেস্তরাঁ মালিকেরা। রাজকুমার রায় নামে এক ব্যবসায়ী জানান, মাত্র এক মাস আগে দোকান চালু করায় এখনও লাইসেন্স হাতে পাননি। আর এক ব্যবসায়ী রাজেশ দেবনাথের কথায়, ‘‘ছোট দোকান বলেই আলাদা করে ট্রেড লাইসেন্স করার কথা ভাবিনি।’’ জগৎপতি দাস নামে এক ভাড়াটে ব্যবসায়ী স্পষ্ট জানান, ট্রেড লাইসেন্স বাধ্যতামূলক জেনেও বিষয়টি তিনি গুরুত্ব দেননি। ট্রেড লাইসেন্স না থাকায় তাঁর রেস্তরাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক দিশা হাজরা জানিয়েছেন, নবদ্বীপ ও সংলগ্ন এলাকায় ৪ তারিখ পর্যন্ত এই পরিদর্শন অভিযান চলবে। যাঁদের উপযুক্ত লাইসেন্স নেই, তাঁদের ব্যবসা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর যাঁদের খাবারের মান ভাল না, তাঁদের দ্রুত ভুল শুধরে নেওয়ার কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy