হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, দার্জিলিং, কালিম্পং-সহ উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আরও দু’দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যেই ভয় ধরাচ্ছে তিস্তা! ইতিমধ্যে তিস্তাবাজার সংলগ্ন এলাকায় তিস্তার জল বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং রাস্তার ধার ছুঁয়ে বইছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে সোমবার থেকে তিস্তাবাজার এবং দার্জিলিং সংযোগকারী সড়কে যান চলাচল সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দিল প্রশাসন। শিলিগুড়ি এবং সিকিমের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থাও প্রায় বন্ধ।
তিস্তাবাজারের ওই রাস্তাটি তিস্তাবাজার এবং দার্জিলিঙের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। আপাতত ওই রাস্তা বন্ধ। আবার শিলিগুড়ি থেকে সিকিমগামী ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধসে অবরুদ্ধ। ২০ মাইলে ধস নেমে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভাবে ব্যাহত হয়েছে। সিকিমের সঙ্গে সড়কপথে যোগাযোগ স্থাপনেও অসুবিধা তৈরি হয়েছে। এই বর্ষায় কালিম্পং ও সিকিম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছে পর্যটন সংস্থাগুলি। তাদের বক্তব্য, এখন দার্জিলিং এবং ডুয়ার্সকে বিকল্প হিসাবে বেছে নিতে পারেন পর্যটকেরা। ইতিমধ্যে ডুয়ার্সে প্রচুর মানুষ বেড়াতে যাচ্ছেনও। তবে দার্জিলিঙে তুলনামূলক ভিড় কম।
আরও পড়ুন:
সোমবার হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজ়ম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, ‘‘তিস্তাবাজার সংলগ্ন এলাকা জলমগ্ন। অন্য দিকে, ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে কুড়ি মাইলে অর্থাৎ সিকিম যাওয়ার রাস্তা ধসের কবলে পড়েছে। প্রশাসন থেকে সব রকম চেষ্টা চলছে। তা সত্ত্বেও পর্যটকদের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে, ভ্রমণের আগে প্রশাসনের নির্দেশ এবং নিয়মাবলি মেনে চলুন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রয়োজনে সিকিম বা কালিম্পং এর এই রুট বাদ দিয়ে তাঁরা আপাতত ভাবে বিকল্প হিসেবে দার্জিলিং এবং ডুয়ার্সকে বেছে নিতে পারেন। কারণ, দার্জিলিং ভ্রমণের ক্ষেত্রে একাধিক বিকল্প রাস্তা রয়েছে।’’