Advertisement
E-Paper

স্ত্রীর মুন্ডু কেটে রাখলেন মন্দিরে, বাবার গলায় কোপ মেরে খুন বাঁকুড়ায়! ‘তন্ত্র সাধনা’র জেরে হত্যাকাণ্ড? ঘনাচ্ছে রহস্য

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্ত এবং তাঁর স্ত্রী দিনে প্রায়শই থাকতেন মন্দিরে। পুজার্চনা করতেন। তাঁদের বাড়িতে এক তান্ত্রিকের যাওয়া-আসাও ছিল।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:১১
A man arrested on charges of murdering his wife and father in Sonamukhi, Bankura

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

বাবা এবং স্ত্রীর গলা কেটে খুন! পরে স্ত্রীর ধড় থেকে মুন্ডু আলাদাও করেন। সেই মুন্ডু গিয়ে রেখে আসেন বাড়ির মন্দিরে। দেহ পড়েছিল বাড়িতে। দু’জনকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার বাঁকুড়ার সোনামুখীর এক যুবক। কেন তিনি বাবা ও স্ত্রীকে খুন করলেন, তা নিয়ে রহস্য ঘনাচ্ছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ‘তন্ত্র সাধনা’য় মগ্ন থাকতেন ওই যুবক। এক ‘তান্ত্রিক’ইও আসা-যাওয়া করতেন ওই বাড়িতে। হতে পারে ‘তন্ত্র সাধনা’র কারণেই খুন করেছেন।

সোনামুখী থানার দামোদর নদের চরে রয়েছে লালবাবা মানাচর এলাকা। সেখানকার বাসিন্দা মঙ্গল চৌধুরী। বাড়িতে থাকতেন তাঁর স্ত্রী রুম্পা এবং বাবা রাজেন্দ্র চৌধুরী। তাঁদের বাড়ি সংলগ্ন একটা মন্দির রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ওই মন্দিরে রুম্পার কাটা মুন্ডু দেখে শিউরে ওঠেন এলাকাবাসী। খবর দেওয়া হয় সোনামুখী থানায়। পুলিশ এসে ওই বাড়ি থেকে দু’টি দেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মঙ্গল এবং তাঁর স্ত্রী রুম্পা দিনে প্রায়শই থাকতেন মন্দিরে। পূজার্চনা করতেন। কেউ কেউ এ-ও দাবি করেছেন, কোনও কোনও দিন কোনও বিশেষ তিথিতে মন্দিরে ওই দম্পতি বিবস্ত্র অবস্থায় পুজোও করতেন! কেন এমন করতেন তাঁরা? স্থানীয়দের দাবি, মাঝেমধ্যেই ওই বাড়িতে এক জন ‘তান্ত্রিক’ আসতেন। ‘তন্ত্র সাধনা’ করতেন। স্থানীয় বাসিন্দা দয়াল পাত্রের কথায়, ‘‘গ্রামের মানুষের সঙ্গে কোনও রকম বিবাদ ছিল না মঙ্গলের। ব্যবহারেও কোনও দিন অস্বাভাবিক কিছু চোখে পড়েনি। তবে বাড়িতে পুজার্চনা, তন্ত্র সাধনার পাট ছিল।’’ ‘তন্ত্র সাধনা’র কারণেই এমন কাণ্ড হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়েরা।

প্রতিবেশীদের দাবি, স্ত্রী ও বাবাকে ঠান্ডা মাথায় খুন করেছেন মঙ্গল। তার পরে স্ত্রীর মুন্ডু কেটে মন্দিরে রেখে আসেন। স্থানীয়েরা দেখতে পেয়ে বাড়িতে ঢুকতে গেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাড়া করেন মঙ্গল, এমনও অভিযোগ। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার পিভিজি সতীশ বলেন, ‘‘দেহ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে।’’ তাঁকে জেরা করে এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মত তদন্তকারীদের।

Murder bankura

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy