দশমীর রাতে শুধু পুরুলিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে বেশ কয়েকটি বাইক দুর্ঘটনার খবর মিলেছে। কোথাও বাইকের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কা। কোথাও আবার পথচারীকেই ধাক্কা মারে বাইক! ঘণ্টাকয়েকের মধ্যে পৃথক পৃথক দুর্ঘটনায় পুরুলিয়ায় মৃত্যু হল অন্তত ছ’জনের।
পুরুলিয়া মফস্সল থানার আইমুন্ডি এলাকায় ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লাগে একটি বাইকের। ধাক্কা লাগার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় ছিটকে পড়েন দুই বাইক আরোহী। শান্তিরাম মাহাতো (২২) এবং রহিন মাহাতো (১৮) নামে ওই দু’জনের বাড়ি জয়পুর থানার পালঞ্জা গ্রামে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
পুরুলিয়ার মানবাজার থানার পাথরকাটা গ্রামে বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হয় কিশোর দীপ ওরাং নামে এক নাবালকের। টামনা থানার ভাদসা মোড়ে একটি গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর জখম হন তিন জন বাইক আরোহী। তিন জনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় কৃষ্ণকমল মাহাতো নামে বছর উনিশের এক তরুণের মৃত্যু হয়। তাঁর বাড়ি কেন্দা থানা এলাকায়। অন্য দু’জনের এখনও চিকিৎসা চলছে।
অন্য দিকে, পারা থানা এলাকায় বাইকের ধাক্কায় ভজন বাউড়ি (১৯) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বাড়ি সাঁওতালডি থানার পাবড়া গ্রামে। আরও একটি দুর্ঘটনা ঘটে পুরুলিয়ার হুড়া থানার জামবাদ এলাকায়। অটোর সঙ্গে বাইকের সংঘর্ষ হয়। গুরুতর জখম হন ভগবত মাহাতো নামে এক ব্যক্তি। তাঁর বাড়ি পুরুলিয়া মফস্সল থানার বাঁধগড় গ্রামে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে পুরুলিয়া মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন:
এ ছাড়াও, মঙ্গলবার রাতে রঘুনাথপুর থানার নন্দুয়াড়া এলাকায় বাইকের ধাক্কায় জখম হয়েছিলেন সর্দার আলি নামে এক ব্যক্তি। বুধবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের বাড়ি আসানসোল দক্ষিণ থানার কুমারপুরে। জেলার এক পুলিশ আধিকারিকের কথায়, ‘‘বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দুর্ঘটনা ঘটছে মত্ত অবস্থায় এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর জন্য।’’ তবে প্রত্যেকটি ঘটনাই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওই আধিকারিক।