পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর দিল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। দুই চাকার যান কেনার জন্য অগ্রিম বা লোনের আর্থিক ঊর্ধ্বসীমা একধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করল অর্থ দফতর। পেট্রোলচালিত মোটরসাইকেল বা স্কুটারের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাইক (ই-বাইক) ও ইলেকট্রিক টু-হুইলার কেনার ক্ষেত্রেও এই সুবিধা কার্যকর করা হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে অর্থ দফতর এ কথা ঘোষণা করেছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যে সমস্ত কর্মীর রোপা-২০১৯ অনুযায়ী মূল বেতন ন্যূনতম ২৫,৭০০ টাকা বা তার বেশি, তাঁরা এই অগ্রিমের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হবেন। সাধারণ মোটরসাইকেল বা স্কুটার কেনার জন্য প্রথম দফায় সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, ৫ মাসের মূল বেতন অথবা গাড়ির আনুমানিক দাম— এর মধ্যে যেটি কম, সেই পরিমাণ অর্থ অগ্রিম হিসেবে মিলবে। অন্য দিকে, দূষণমুক্ত ইলেকট্রিক বাইক বা ইলেকট্রিক দু’চাকার যানকে বিশেষ ভাবে উৎসাহিত করতে প্রথম অগ্রিমে মিলবে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, ৬ মাসের মূল বেতন বা গাড়ির আনুমানিক মূল্য (যেটি কম)। তবে দ্বিতীয় বার অগ্রিম গ্রহণের ক্ষেত্রে উভয় ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ সীমা রাখা হয়েছে ৯০ হাজার টাকা।
আরও পড়ুন:
ঋণ পরিশোধের নিয়মেও আনা হয়েছে বিশেষ সুবিধা। মূল ঋণের অর্থ সর্বোচ্চ ৬০টি মাসিক কিস্তিতে বেতন থেকে কেটে নেওয়া হবে। আসল পরিশোধ হওয়ার পর সর্বোচ্চ ২০টি কিস্তিতে ঋণের সুদ কাটা হবে। রাজ্য সরকারের প্রচলিত সাধারণ সুদের হার এতে ধার্য হবে। তবে কিস্তি বকেয়া পড়লে ন্যূনতম বার্ষিক ৮ শতাংশ হারে অতিরিক্ত বা পেনাল্টি সুদ দিতে হতে পারে। পাশাপাশি, আগের অগ্রিম ও সুদ সম্পূর্ণ পরিশোধের ৩ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় অগ্রিম দেওয়া হবে না। পুরো ঋণ ও সুদ কর্মীর অবসরের আগেই শোধ হতে হবে। দ্রুতগতিতে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে প্রতিটি প্রশাসনিক দফতরকেই ঋণ মঞ্জুর করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।