রানওয়েতে অবতরণের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে যেতেই ঘটল ভয়াবহ দুর্ঘটনা। মায়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অ্যামাজ়নের একটি পণ্যবাহী বিমান রানওয়ে অতিক্রম করে এগিয়ে যায়। ফলে পাশের সড়কে পার্ক করা যানবাহনের সঙ্গে লাগে প্রবল সংঘর্ষ। আর তাতেই মারা যান পাঁচ জন। দুর্ঘটনার ফলে আগুন ধরে যায় বিমানটিতে। বিমান দুর্ঘটনার একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা ভাইরাল হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
আনন্দবাজার ডট কমের হাতেও এসেছে ভিডিয়োটি। ভিডিয়োয় ধরা পড়েছে দুর্ঘটনার মুহূর্তের দৃশ্যটি। অবতরণের সময় একটি নীল-সাদা বোয়িং ৭৬৭ বিমান তির্যক রানওয়ে অতিক্রম করে বিমানবন্দরের পাশের সড়কে দাঁড় করানো যানবাহনের উপর আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বোয়িং ৭৬৭–৩০০ মডেলের পণ্যবাহী বিমানটি ই–কমার্স সংস্থা অ্যামাজ়ন পরিচালিত প্রাইম এয়ারের। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, পুয়ের্তো রিকোর সান হুয়ান থেকে বিমানটি নামার সময় স্থানীয় সময় দুপুর ২টো নাগাদ এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ভিডিয়ো ফুটেজে দেখা গিয়েছে, বিমানটির পিছনের অংশ থেকে আগুনের গোলা বার হচ্ছে। গল গল করে বেরনো ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে এলাকা। সংঘর্ষের ফলে অন্তত পাঁচ জন নিহত এবং আরও তিন জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমসূত্রে খবর।
আগুন নেবাতে দ্রুত ছুটে আসেন দমকলকর্মীরা। আগুন নেবানো ও উদ্ধারকাজ শুরু করার জন্য মায়ামির দমকলের ২০০ জন কর্মী-সহ মোট ৬০টি দমকলের গাড়ি এসে পৌঁছোয়। মায়ামি-ডেড কাউন্টির দমকল প্রধান জানিয়েছেন, বিমানটি গাড়িগুলিতে সজোরে আঘাত হানে। ফলে কয়েক জন গাড়ির ভিতরে আটকে পড়ে মারা যান বলে প্রাথমিক অনুমান দমকলের। এক জনকে গাড়ির চাকার নীচ থেকেও উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে তিন জনকে গুরুতর অবস্থায় ট্রমা কেয়ারে ভর্তি করা হয়েছে। অ্যামাজ়ন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, বিমানটি অবতরণের সময় একটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে কেউ আহত বা নিহত হয়েছেন কিনা, তা সেই বিবৃতিতে জানানো হয়নি। দুর্ঘটনার জেরে মায়ামি বিমানবন্দরে বেশ কয়েক ঘণ্টা বিমান চলাচল ব্যাহত হয়। কার্গো বিমানটি অবতরণের সময় কেন রানওয়ে থেকে সড়কে ছিটকে পড়ল, সেই কারণ এখনও অজানা। এমনকি ঠিক ক’টা গাড়িতে তা আঘাত করেছে, তা-ও সঠিক ভাবে জানা যায়নি।