ফের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা হরমুজ় প্রণালীতে। পানামার পতাকাবাহী জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই জাহাজে মোট ১৯ জন নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৭ জনই ভারতীয়। আহত হয়েছেন ১১ জন ভারতীয় নাবিক।
ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এই হামলার কথা জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার ‘এমটি এন পিস’ নামে পানামার পতাকাবাহী জাহাজটিকে নিশানা করা হয় হরমুজ় প্রণালীতে ওমান উপকূলের কাছে। জাহাজের সকল নাবিককে উদ্ধার করে ওমানের খাসাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কারা এই হামলা চালিয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছে নয়াদিল্লি। পাশাপাশি, ভারতীয় নাবিকদের উদ্ধার এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য ওমান প্রশাসনকে ধন্যবাদও জানিয়েছে ভারত সরকার।
আরও পড়ুন:
ওই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজে বার বার হামলা এবং তার জেরে নাবিকদের হতাহতের ঘটনায় উদ্বেগ এবং আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিদেশ মন্ত্রক। সেই সঙ্গে ওই অঞ্চলে শান্তি এবং স্থিতাবস্থা বজায় রাখারও আহ্বান জানানো হয়েছে। এক বিবৃতি জারি করে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ‘‘ওই অঞ্চলে বার বার বাণিজ্যিক জাহাজ, নাবিকদের উপর যে হামলা চলছে, তার শেষ হওয়া উচিত। আন্তর্জাতিক ওই জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথ আরও মসৃণ হওয়া উচিত।’’ উল্লেখ্য, অক্টোবরের শুরুতে ইতিমধ্যেই সাতটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা চালানো হয়েছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, সোমবার এক দিনেই দু’টি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা চালানো হয়। একটি কুয়েতের পতাকাবাহী জাহাজ এমটি কাজ়িমা থ্রি এবং অন্যটি লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ লিপসি। কুয়েতের পতাকাবাহী ওই জাহাজে ছিলে পাঁচ ভারতীয় নাবিক। তাঁদের উদ্ধার করে ওমান প্রশাসন।
এর আগেও হরমুজ়ে বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় বেশ কয়েক জন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যাও কম নয়। বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় বার বার সরব হয়েছে নয়াদিল্লি। কিন্তু তার পরেও হামলা হয়েছে। কোনও ক্ষেত্রে আহত হয়েছেন ভারতীয় নাবিকেরা। কোনও ক্ষেত্রে মৃত্যুর মতো ঘটনাও ঘটেছে।