২০২২ সাল থেকে চলা যুদ্ধে কি ইতি পড়বে? শীঘ্রই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হতে পারে! এমনই ইঙ্গিত দিল ক্রেমলিন। তারা জানিয়েছে, আমেরিকা এবং ইউক্রেনের সঙ্গে আবার ত্রিপাক্ষিক আলোচনা শুরু করতে চান রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেই আলোচনা ইতিবাচক হলে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতায় আসতে পারে রাশিয়া-ইউক্রেন।
সেন্ট পিটার্সবার্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন পুতিন। সেই বৈঠকের পর পুতিনের বিদেশ উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ জানান, ১০ নভেম্বরের পর পুনরায় আলোচনা শুরু বিষয়ে ‘নীতিগত’ সম্মত হয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। তিনি আরও জানান, ‘সংঘাত শেষ হওয়ার পর রাশিয়া এবং ইউক্রেনের জন্য একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার’ উপর জোর দেওয়া হয় পুতিন-উইটকফের বৈঠকে! এই বৈঠকের আগে অসলোতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কির সঙ্গেও আলোচনায় বসেছিলেন উইটকফ। সেই বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তা পুতিনকে অবগত করেছেন তিনি।
মতবিরোধ অব্যাহত থাকায় গত ফেব্রুয়ারি থেকে আমেরিকা, রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে কোনও ত্রিপাক্ষিক আলোচনা হয়নি। সেই আবহে বিগত কয়েক মাসে রাশিয়া এবং ইউক্রেন— দুই দেশই একে অপরের জ্বালানি পরিকাঠামোয় হামলা চালিয়েছে। হামলা চলেছে কৃষ্ণসাগরে একাধিক পণ্য বা তেলবাহী জাহাজে। হতাহতের ঘটনাও প্রকাশ্যে এসেছে। তবে ট্রাম্প চাইছেন, অবিলম্বে ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ হোক। শান্তি প্রচেষ্টায় নতুন গতি আনতে উদ্যোগী ট্রাম্প।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে পুতিনের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, রাশিয়া অবিলম্বে ৩ লক্ষ টনেরও বেশি ডিজ়েল সরবরাহ করবে তাঁদের। আগামী নভেম্বরে আরও ৫ লক্ষ টন ডিজ়েল পাঠাবে পুতিনের দেশ। তার পর আবার আরও ১০ লক্ষ টন জ্বালানি সরবরাহ করবে। ক্রেমলিন সূত্রে খবর, উইটকফ ও পুতিনের বৈঠকে এই চুক্তি কী ভাবে বাস্তবায়িত করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।