আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই নিশানা করলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান। রাষ্ট্রপুঞ্জের ৮১তম সাধারণ সভা থেকে ইরানকে ‘সন্ত্রাসী’ বলে তোপ দেগেছিলেন ট্রাম্প। দিয়েছিলেন হুঁশিয়ারিও। তার জবাবে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কড়া সমালোচনা করে পাল্টা তোপ দাগলেন পেজ়েশকিয়ান। তাঁর নিশানা থেকে বাদ যায়নি ইজ়রায়েলও। ইরানের উপরে আমেরিকার হামলার নিন্দা জানিয়ে মাসুদের দাবি, ‘ইরানের নাগরিকেরা সন্ত্রাসের শিকার’। পেজ়েশকিয়ানের বক্তব্যের প্রতিবাদে সভাস্থল ত্যাগ করেন মার্কিন প্রতিনিধিরা।
সভা থেকে আমেরিকার নিন্দা জানিয়ে এ দিন পেজ়েশকিয়ান উল্লেখ করেন, ইরানের মিনাব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বোমা হমলার ঘটনা। ওই বিদ্যালয় ও খেলার জায়গার ছবি দেখিয়ে তিনি দাবি করেন, ইরান-ইজ়রায়েলের যৌথ বোমা হামলায় একাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে সে দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই মৃত্যুর প্রসঙ্গও। পেজ়েশকিয়ানের দাবি, কোনও কারণ ছাড়াই হত্যা করা হয়েছে খামেনেইকে।
আরও পড়ুন:
ইরানের প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা করে না আমেরিকা। মার্কিন মুলুককে ‘দু'-মুখো’ বলে তোপ দেগে পেজ়েশকিয়ানের দাবি, ইজ়রায়েল ‘হত্যাযজ্ঞ’ চালায়, কিন্তু নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয় ইরানের উপরে। তাঁর অভিযোগ, ইরান নয়, বরং ইজ়রায়েলের কাছেই বিধ্বংসী অস্ত্র আছে। এর পরেই মাসুদের দাবি, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্রের প্রয়োজন নেই কিন্তু পারমাণবিক শক্তির প্রয়োজন আছে।
পেজ়েশকিয়ানের সাফ বক্তব্য, ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হবে এমন কোনও অস্ত্র পরিবহণের জন্য হরমুজ় প্রণালীকে ব্যবহার করা যাবে না।