আমেরিকায় মধ্যবর্তী নির্বাচন (মিডটার্ম ইলেকশন) শুরু হওয়ার ঠিক আগে ইরানে ‘গোপন হামলা’ চালালেন ট্রাম্প! সোমবার ইরানের হরমুজ় প্রণালী লাগোয়া কাশেম বন্দর এবং বন্দর-এ-লেঙ্গেহ শহরে ঘন ঘন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। কাশেম বন্দরের বাসিন্দারা দাবি করেন যে, আকাশ মার্কিন বিমানকে চক্কর কাটতে দেখেছেন তাঁরা। যদিও এই হামলার বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানায়নি পেন্টাগন। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর দাবি, ইরানে হামলাই চালিয়েছে আমেরিকা।
প্রায় একই দাবি করেছে, ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থা আইআরএনএ-ও। তাদের দাবি, কাশেম বন্দরে পাঁচটি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গিয়েছে। এই বিস্ফোরণের জেরে কোনও প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। চলতি সপ্তাহে ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ‘নিয়ন্ত্রিত হামলা’ চালাচ্ছিলই। এই আবহে ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করে, তাদের বিমানবাহিনী হরমুজ় প্রণালীর কাছে আমেরিকার তিনটি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে।
মঙ্গলবার আমেরিকায় মধ্যবর্তী নির্বাচন মিটলে ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প ফের বড়সড় সামরিক অভিযান শুরু করতে পারেন বলে অনেক দিন ধরেই জল্পনা চলছে। সোমবার থেকেই তার মহড়া শুরু হয়ে গেল কি না, তা নিয়েও রয়েছে জল্পনা। তবে সোমবারই আমেরিকার সঙ্গে ইরান বোঝাপড়ায় আসতে পারে বলে জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান বদলে ইরানে হামলা চালাল আমেরিকা।
সোমবার ট্রাম্প বলেছিলেন, “ইরান দ্রুত একটা বোঝাপড়া চাইছে। এটা হতেই পারে।” মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে আমেরিকা ইরানে বড়সড় হামলা করবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প দু’দিকে মাথা নাড়িয়ে ‘না’ বলেন।