Health Partner
Comfort Partner
Knowledge Partner

রাবণের কাছ থেকে শিবলিঙ্গ নিয়ে গণেশ নাকি স্থাপন করেন এখানেই! রয়েছে ওঁ আকৃতির সমুদ্রসৈকতও, বেড়াতে যাবেন এমন জায়গায়?

গোয়ার খুব কাছে, অথচ নেই গোয়ার মতো ভিড়। বরং পাবেন নিরিবিলি সমুদ্রতট আর মন ভাল করা পরিবেশ। উৎসবের মরসুম পেরিয়ে বা বছরের শেষে এমন এক জায়গায় যেতে হলে দেরি না করে টিকিট কেটে ফেলতে হবে।

আনন্দ উৎসব ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ নভেম্বর ২০২৬ ২২:৪৩
ঢেউয়ের শব্দ এসে আছড়ে পড়ছে অবিরাম। দূর দিগন্তে সমুদ্রের জলরাশি আর আকাশ মিলেমিশে একাকার। আপনার অপেক্ষায় অসম্ভব সুন্দর এক সূর্যাস্ত আর শান্ত নির্জনতা।
০১ / ২০

ঢেউয়ের শব্দ এসে আছড়ে পড়ছে অবিরাম। দূর দিগন্তে সমুদ্রের জলরাশি আর আকাশ মিলেমিশে একাকার। আপনার অপেক্ষায় অসম্ভব সুন্দর এক সূর্যাস্ত আর শান্ত নির্জনতা।

 প্রিয়জনের সঙ্গে এমন কোথাও যেতে কার না মন চায়! উৎসবের মরসুম পেরিয়ে বা বছরের শেষে এমন এক জায়গায় যেতে হলে দেরি না করে টিকিট কেটে ফেলতে হবে।
০২ / ২০

প্রিয়জনের সঙ্গে এমন কোথাও যেতে কার না মন চায়! উৎসবের মরসুম পেরিয়ে বা বছরের শেষে এমন এক জায়গায় যেতে হলে দেরি না করে টিকিট কেটে ফেলতে হবে।

ভাবছেন কোথাকার টিকিট? কর্ণাটকের গোকর্ণ। গোয়ার খুব কাছে, অথচ নেই গোয়ার মতো ভিড়। বরং পাবেন নিরিবিলি সমুদ্রতট আর মন ভাল করা পরিবেশ।
০৩ / ২০

ভাবছেন কোথাকার টিকিট? কর্ণাটকের গোকর্ণ। গোয়ার খুব কাছে, অথচ নেই গোয়ার মতো ভিড়। বরং পাবেন নিরিবিলি সমুদ্রতট আর মন ভাল করা পরিবেশ।

কর্ণাটকের উত্তর কন্নড় জেলায়, আরব সাগরের উপকূলে ছোট্ট, সুন্দর এই শহর গোকর্ণ। এখানে একইসঙ্গে পাবেন ধর্মীয় স্থান, মনোরম ও শান্ত পরিবেশ, সমুদ্র সৈকত এবং অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।
০৪ / ২০

কর্ণাটকের উত্তর কন্নড় জেলায়, আরব সাগরের উপকূলে ছোট্ট, সুন্দর এই শহর গোকর্ণ। এখানে একইসঙ্গে পাবেন ধর্মীয় স্থান, মনোরম ও শান্ত পরিবেশ, সমুদ্র সৈকত এবং অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

ঘোরাঘুরির বেশ কিছু জায়গা রয়েছে এখানে। আছে বেশ কয়েকটি সুন্দর সমুদ্র সৈকত।
০৫ / ২০

ঘোরাঘুরির বেশ কিছু জায়গা রয়েছে এখানে। আছে বেশ কয়েকটি সুন্দর সমুদ্র সৈকত।

এখানকার ওম বিচ তার মধ্যে অন্যতম। পাখির চোখে দেখলে এই সৈকতের আকৃতি ‘ওঁ’-এর মতো।
০৬ / ২০

এখানকার ওম বিচ তার মধ্যে অন্যতম। পাখির চোখে দেখলে এই সৈকতের আকৃতি ‘ওঁ’-এর মতো।

নিরিবিলি পরিবেশে সময়ে কাটাতে চাইলে এখানকার কুদলে বিচ হতেই পারে মনের মতো। প্রিয়জনদের সঙ্গে বসে গল্প করা, নিজের মতো বসে গান শোনা বা বই পড়া— সবের জন্যই উপযোগী।
০৭ / ২০

নিরিবিলি পরিবেশে সময়ে কাটাতে চাইলে এখানকার কুদলে বিচ হতেই পারে মনের মতো। প্রিয়জনদের সঙ্গে বসে গল্প করা, নিজের মতো বসে গান শোনা বা বই পড়া— সবের জন্যই উপযোগী।

আরও একটি নিরিবিলি সৈকতে যেতে পারেন, নাম প্যারাডাইস বিচ। এখানেও অপেক্ষাকৃত কম ভিড় থাকে। যদি একেবারে কম মানুষজন থাকে, নিষেধাজ্ঞা থাকে বা সমুদ্রে উত্তাল থাকে, সে ক্ষেত্রে জলে না নামাই ভাল। নিজের সঙ্গে একলা বসে থাকতে অবশ্য ভালই লাগবে এখানে।
০৮ / ২০

আরও একটি নিরিবিলি সৈকতে যেতে পারেন, নাম প্যারাডাইস বিচ। এখানেও অপেক্ষাকৃত কম ভিড় থাকে। যদি একেবারে কম মানুষজন থাকে, নিষেধাজ্ঞা থাকে বা সমুদ্রে উত্তাল থাকে, সে ক্ষেত্রে জলে না নামাই ভাল। নিজের সঙ্গে একলা বসে থাকতে অবশ্য ভালই লাগবে এখানে।

 এখানকার হাফ মুন বিচ তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। নাম শুনেই বোঝা যায় এই সমুদ্র সৈকতটি অর্ধচন্দ্রাকৃতি। তবে এখানে পৌঁছতে গেলে স্থানীয় মানুষের থেকে জেনে নিতে হবে, সেখানকার বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী কী ভাবে যেতে পারবেন।
০৯ / ২০

এখানকার হাফ মুন বিচ তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। নাম শুনেই বোঝা যায় এই সমুদ্র সৈকতটি অর্ধচন্দ্রাকৃতি। তবে এখানে পৌঁছতে গেলে স্থানীয় মানুষের থেকে জেনে নিতে হবে, সেখানকার বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী কী ভাবে যেতে পারবেন।

এ ছাড়াও এখানে রয়েছে মহাবালেশ্বর মন্দির, যাকে ‘দক্ষিণ কাশী’ও বলা হয়। এই মন্দিরে দেখতে পাওয়া যায় দ্রাবিড় স্থাপত্যশৈলী নিদর্শন।
১০ / ২০

এ ছাড়াও এখানে রয়েছে মহাবালেশ্বর মন্দির, যাকে ‘দক্ষিণ কাশী’ও বলা হয়। এই মন্দিরে দেখতে পাওয়া যায় দ্রাবিড় স্থাপত্যশৈলী নিদর্শন।

সুপ্রাচীন এই মন্দিরের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে অজস্র ইতিহাস। রামায়ণ মহাভারত, পুরাণ ছাড়াও কবি কালিদাসের রঘুবংশম-এও এই স্থানের উল্লেখ মেলে।
১১ / ২০

সুপ্রাচীন এই মন্দিরের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে অজস্র ইতিহাস। রামায়ণ মহাভারত, পুরাণ ছাড়াও কবি কালিদাসের রঘুবংশম-এও এই স্থানের উল্লেখ মেলে।

এই মন্দিরকে ঘিরে রয়েছে একটি আকর্ষণীয় পুরাণ কাহিনিও। রামায়ণ ও হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, রাবণের ভক্তিতে তুষ্ট হয়ে শিব তাঁকে নিজের লিঙ্গ বর হিসেবে দান করেন। এই শিবলিঙ্গ লঙ্কায় নিয়ে গিয়ে স্থাপন করতে পারলে রাবণ হয়ে উঠতেন অপরাজেয় এবং অসীম শক্তির অধিকারী। এই কারণে দেবতারা ভয় পেয়ে যান।
১২ / ২০

এই মন্দিরকে ঘিরে রয়েছে একটি আকর্ষণীয় পুরাণ কাহিনিও। রামায়ণ ও হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, রাবণের ভক্তিতে তুষ্ট হয়ে শিব তাঁকে নিজের লিঙ্গ বর হিসেবে দান করেন। এই শিবলিঙ্গ লঙ্কায় নিয়ে গিয়ে স্থাপন করতে পারলে রাবণ হয়ে উঠতেন অপরাজেয় এবং অসীম শক্তির অধিকারী। এই কারণে দেবতারা ভয় পেয়ে যান।

কিন্তু শিব শর্ত দেন, লঙ্কায় পৌঁছনোর আগে রাবণ যদি কোনও জায়গায় ওই শিবলিঙ্গ নামিয়ে রাখেন, তা হলে সেটি সেখানেই চিরকালের মতো স্থাপিত হয়ে যাবে।
১৩ / ২০

কিন্তু শিব শর্ত দেন, লঙ্কায় পৌঁছনোর আগে রাবণ যদি কোনও জায়গায় ওই শিবলিঙ্গ নামিয়ে রাখেন, তা হলে সেটি সেখানেই চিরকালের মতো স্থাপিত হয়ে যাবে।

রাবণ যাত্রা শুরু করেন। গোকর্ণের কাছে এসে তিনি সন্ধ্যা আহ্নিকে বসলে গণেশ এক ব্রাহ্মণ বালকের ছদ্মবেশে এসে শিবলিঙ্গটি নিয়ে মাটিতে রেখে দেন। রাবণ প্রচণ্ড শক্তি দিয়ে সেই শিবলিঙ্গ তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু সফল হননি।
১৪ / ২০

রাবণ যাত্রা শুরু করেন। গোকর্ণের কাছে এসে তিনি সন্ধ্যা আহ্নিকে বসলে গণেশ এক ব্রাহ্মণ বালকের ছদ্মবেশে এসে শিবলিঙ্গটি নিয়ে মাটিতে রেখে দেন। রাবণ প্রচণ্ড শক্তি দিয়ে সেই শিবলিঙ্গ তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু সফল হননি।

শিবলিঙ্গটি যেখানে স্থাপিত হয়েছিল, সেখানেই নাকি আজকের মহাবালেশ্বর মন্দির। যদিও এই কাহিনি নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। এই ঐতিহাসিক মন্দিরটি রাখতে পারেন আপনার ভ্রমণ তালিকায়।
১৫ / ২০

শিবলিঙ্গটি যেখানে স্থাপিত হয়েছিল, সেখানেই নাকি আজকের মহাবালেশ্বর মন্দির। যদিও এই কাহিনি নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। এই ঐতিহাসিক মন্দিরটি রাখতে পারেন আপনার ভ্রমণ তালিকায়।

কলকাতা থেকে এখানে যেতে হল ইচ্ছে মতো সফরপথ বেছে নিতে পারেন। এই শহরের সব থেকে কাছের বিমানবন্দরটি হল গোয়ার ডাবলিম বিমানবন্দর। বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে আনুমানিক চার-পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে গোকর্ণ পৌঁছে যেতে পারবেন।
১৬ / ২০

কলকাতা থেকে এখানে যেতে হল ইচ্ছে মতো সফরপথ বেছে নিতে পারেন। এই শহরের সব থেকে কাছের বিমানবন্দরটি হল গোয়ার ডাবলিম বিমানবন্দর। বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে আনুমানিক চার-পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে গোকর্ণ পৌঁছে যেতে পারবেন।

 ট্রেনে যেতে চাইলে সবচেয়ে কাছে পড়বে গোকর্ণ রোড স্টেশন। কিন্তু এটি তুলনায় ছোট স্টেশন হওয়ায় এখানে দূরপাল্লার ট্রেন থামে না। তাই ট্রেনে করে মাডগাঁও অথবা হুবলিতে নেমে ট্রেন পাল্টে গোকর্ণ রোড স্টেশন। তার পরে অটো বা ট্যাক্সিতে গোকর্ণ পৌঁছে যেতে পারবেন।
১৭ / ২০

ট্রেনে যেতে চাইলে সবচেয়ে কাছে পড়বে গোকর্ণ রোড স্টেশন। কিন্তু এটি তুলনায় ছোট স্টেশন হওয়ায় এখানে দূরপাল্লার ট্রেন থামে না। তাই ট্রেনে করে মাডগাঁও অথবা হুবলিতে নেমে ট্রেন পাল্টে গোকর্ণ রোড স্টেশন। তার পরে অটো বা ট্যাক্সিতে গোকর্ণ পৌঁছে যেতে পারবেন।

এ ছাড়াও বেঙ্গালুরু, ম্যাঙ্গালোর বা মুম্বই থেকে গোকর্ণ যাওয়ার প্রচুর বাস পাওয়া যায়।
১৮ / ২০

এ ছাড়াও বেঙ্গালুরু, ম্যাঙ্গালোর বা মুম্বই থেকে গোকর্ণ যাওয়ার প্রচুর বাস পাওয়া যায়।

 এখানে বেড়াতে যেতে মাথাপিছু পনেরো হাজার থেকে তিরিশ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। হিসাব নির্ভর করছে আপনি কোন পথে কী ভাবে যাচ্ছেন বা কী রকম দামের হোটেল বা হোমস্টেতে থাকছেন, তার উপরে।
১৯ / ২০

এখানে বেড়াতে যেতে মাথাপিছু পনেরো হাজার থেকে তিরিশ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। হিসাব নির্ভর করছে আপনি কোন পথে কী ভাবে যাচ্ছেন বা কী রকম দামের হোটেল বা হোমস্টেতে থাকছেন, তার উপরে।

অক্টোবর থেকে মার্চ মাস এই জায়গায় বেড়াতে যাওয়ার সব থেকে আদর্শ সময়। তাই কালী পুজোর ঠিক পরে এ রকম একটা সুন্দর জায়গায় ঘুরতে যেতে চাইলে দেরি না করে সব ব্যবস্থা করে ফেলুন। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)
২০ / ২০

অক্টোবর থেকে মার্চ মাস এই জায়গায় বেড়াতে যাওয়ার সব থেকে আদর্শ সময়। তাই কালী পুজোর ঠিক পরে এ রকম একটা সুন্দর জায়গায় ঘুরতে যেতে চাইলে দেরি না করে সব ব্যবস্থা করে ফেলুন। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy