১৫ অক্টোবর থেকে বাড়ছে ডিজিটাল লেনদেনের খরচ। ‘ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস’ বা ইউপিআই-তে ২,০০০ টাকার বেশি লেনদেনে প্রযোজ্য হবে ০.৪ শতাংশ মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর)। রেল টিকিটেও সেই মাশুল ধার্য করেছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। যদিও তাতে সাধারণ ব্যবসায়ী শ্রেণিভুক্ত করা হয়নি।
কেন্দ্রের চালু করা নতুন নিয়মে, জ্বালানি, টেলিযোগাযোগ এবং বিমার মতো অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবার পাশাপাশি বিশেষ শ্রেণিতে রয়েছে রেল। ফলে, ইউপিআইতে ২,০০০ টাকার বেশি খরচ করে ট্রেনের টিকিট কাটলে মাশুল বাবদ বাড়তি দিতে হবে পাঁচ টাকা। এখন প্রশ্ন, যাত্রীদের থেকেই নেওয়া হবে এই ফি? নাকি সেটা দেবে রেল টিকিট বুকিংয়ের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আইআরসিটিসি?
একটি উদাহরণের সাহায্যে বিষয়টা বুঝে নেওয়া যেতে পারে। ধরা যাক, কোনও ব্যক্তি আইআরসিটিসির প্ল্যাটফর্ম দিয়ে ৩,০০০ টাকা মূল্যের ট্রেন টিকিট বুকিং করলেন। এ ক্ষেত্রে মাশুল বাবদ ধার্য হবে বাড়তি পাঁচ টাকা। অর্থাৎ সব মিলিয়ে টিকিটের দাম দাঁড়াবে ৩,০০৫ টাকা। তবে বাড়তি টাকা দিতে হবে না গ্রাহককে। টিকিটের দামের ৩,০০০ টাকা দেবেন তিনি। বাকি পাঁচ টাকা রেলের কোষাগারে জমা করবে আইআরসিটিসি।
আরও পড়ুন:
সংশোধিত ইউপিআইয়ের নিয়মে ব্যক্তি থেকে বিক্রেতার ২,০০০ টাকার বেশি ডিজিটাল লেনদেনে ০.৪ শতাংশ মাশুল ধার্য করেছে কেন্দ্র। কিন্তু, অত্যাবশ্যকীয় বিশেষ শ্রেণিতে থাকার কারণে রেলের ক্ষেত্রে নিয়ম আলাদা। এখানে টিকিট টাকার সময় ২,০০০ টাকার বেশি ইউপিআইতে বাড়তি পাঁচ টাকা ধার্য হবে। তবে, অন্য কোনও ডিজিটাল লেনদেন এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।