সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন বা সিবিএসই-র তিন ভাষা নীতিতে ষষ্ঠ শ্রেণির পড়ুয়াদেরও ‘অন্তর্বর্তীকালীন অব্যাহতি’ (ট্রানজ়িশনাল এগ্জ়েম্পশন) দেওয়ার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এত দিন এই সুবিধা শুধু সপ্তম, অষ্টম এবং নবম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য ছিল।
সিবিএসই-র ভাষা নীতিকে চ্যালেঞ্জ করে করা কয়েকটি মামলার শুনানিতে এই নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। যদিও কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, প্রায় ৯৯ শতাংশ সিবিএসই স্কুল নতুন নিয়ম চালুর জন্য প্রস্তুত। তাই ষষ্ঠ শ্রেণির পড়ুয়াদের এই ছাড় দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে আদালত জানায় যে, পড়ুয়ারা ইতিমধ্যেই একটি ভাষা বেছে নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেছে, তাদের মাঝপথে নিয়ম বদলাতে বাধ্য করা ঠিক নয়।
তৃতীয় ভাষার বোর্ড পরীক্ষা নয়:
ষষ্ঠ শ্রেণির পড়ুয়াদের তৃতীয় ভাষা শিখতে হবে। তবে দশম শ্রেণির সিবিএসই পরীক্ষায় এই ভাষার পরীক্ষা দিতে হবে না।
মূল্যায়ন: স্কুলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের মাধ্যমে তৃতীয় ভাষার মূল্যায়ন হবে। পড়ুয়াকে এই বিষয়ের জন্য উপস্থিতির শংসাপত্র দেওয়া হবে।
পাশ-ফেলের প্রভাব নেই: তৃতীয় ভাষায় পাশ বা ফেল করলে দশম শ্রেণির চূড়ান্ত ফলাফলে তার কোনও প্রভাব পড়বে না।
পড়ুয়াকে আটকে রাখা যাবে না: তৃতীয় ভাষার অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের কারণে কোনও স্কুলপড়ুয়াকে পরের শ্রেণিতে উঠতে বাধা দিলে আদালত হস্তক্ষেপ করবে বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সিবিএসই-র প্রায় ১.২ শতাংশ স্কুলে এখনও প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নেই। তাদের সমস্যা খতিয়ে দেখতে একজন আধিকারিক নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পুরো বিষয়টি নিয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে সিবিএসই-কে। এর পর মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে বলে জানানো হয়।