২০২৭-এর ‘কমন ল অ্যাডমিশন টেস্ট’-এর পরীক্ষা পদ্ধতি এবং পাঠ্যসূচিতে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। ‘কনসোর্টিয়াম অফ ন্যাশনাল ল ইউনিভার্সিটিজ়’-এর বার্ষিক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংস্থার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর— উভয় স্তরের ক্ল্যাট ২০২৭-এর জন্য যে সিলেবাস ও বিষয়ভিত্তিক বিভাজন রয়েছে, তা অপরিবর্তিতই থাকবে।
সিলেবাস এক থাকলেও ২০২৬-এর গঠিত ‘সিএলএটি বিশেষজ্ঞ কমিটির’ বেশ কিছু সুপারিশ মেনে প্রশ্নপত্রের গুণমান ও কাঠামোয় প্রয়োজনীয় কিছু পরিবর্তন হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। সর্বসাধারণের মতামতের জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটির সেই রিপোর্টটি অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কনসোর্টিয়াম।
আইন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ আগামী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইন ফর্মের মাধ্যমে এই বিষয়ে মতামত বা পরামর্শ জানাতে পারবেন। প্রাপ্ত পরামর্শের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে পরীক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
পরীক্ষা পদ্ধতিতে কোনও বদল না হওয়ায় স্নাতক স্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষাটি পুরনো নিয়মেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গিয়েছে। দু’ঘণ্টার অনলাইনে ‘কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা’ অর্থাৎ সিবিটি পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে। মোট ১২০টি এমসিকিউ প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য মিলবে ১ নম্বর। ভুল উত্তরের ক্ষেত্রে কাটা যাবে ০.২৫ নম্বর। ইংরেজি, কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও সাধারণ জ্ঞান, লিগ্যাল রিজ়নিং, লজিক্যাল রিজ়নিং এবং কোয়ান্টিটেটিভ টেকনিক্স থেকে প্রশ্ন করা হবে।
আরও পড়ুন:
কনসোর্টিয়াম সূত্রে খবর, বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান সুপারিশগুলি কার্যকর বা প্রয়োগের বিষয়টি ‘সিএলএটি ২০২৮’ পরীক্ষার ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হবে। ফলে ২০২৭ সালের পরীক্ষায় বড় ধরনের কোনও কাঠামোগত পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।