স্কুলে ভর্তির ফর্মে শিক্ষার্থীদের জাতের (কাস্ট) উল্লেখ তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল হিমাচল প্রদেশ সরকার। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই রাজ্যের সব স্কুলের আবেদনপত্র থেকে এই অংশটি বাদ দেওয়া হবে। ‘হিমাচল প্রদেশ শিডিউল্ড কাস্ট ওয়েলফেয়ার বোর্ড’-এর এক বৈঠকে সভাপতি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, সমাজ থেকে জাতিগত বৈষম্য দূর করা এবং সমতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার লক্ষ্যেই রাজ্য সরকার এই পদক্ষেপ করেছে। তিনি বলেন, ‘‘ছোটবেলা থেকেই শিশুদের মনে যাতে জাতের ভিত্তিতে কোনও হীনম্মন্যতা তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত। তবে তফসিলি জাতিভুক্ত মানুষজন যাতে সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তার জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নেওয়ার সময়ে প্রয়োজনীয় নথি পেশ করার ব্যবস্থা বজায় থাকবে।’’
তফসিলি সম্প্রদায়ের সার্বিক উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকার এই শ্রেণির সমস্যার দ্রুত সমাধানে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বৈঠকালীন বেশ কিছু নতুন ও চলমান প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন—
স্বনির্ভর প্রকল্প: ১০০ কিলোওয়াট থেকে ২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ার জন্য রাজ্য সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে। পাহাড়ি ও উপজাতি এলাকায় ৫ শতাংশ এবং অন্যান্য এলাকায় ৪ শতাংশ হারে এই ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে।
উচ্চশিক্ষায় ঋণ সহায়ক স্কিম: আর্থিক অনটনের কারণে কোনও মেধাবী ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনা যাতে বন্ধ না হয়, তার জন্য ১ শতাংশ সুদে সর্বোচ্চ ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষাঋণ প্রদান করছে সরকার।
আরও পড়ুন:
আপনা পরিবার সুখী পরিবার যোজনা: জানানো হয়েছে অতি-দরিদ্র পরিবারগুলির জন্য খুব শীঘ্রই চালু হতে চলেছে এই স্কিম। এর আওতায় যোগ্য পরিবারগুলি প্রতি মাসে ৩০০ ইউনিট বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পাবে এবং পরিবারের মহিলারা পাবেন প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা করে ভাতা।