Advertisement
E-Paper

গত তিন বছরে কী কী সিদ্ধান্ত হয়েছে কর্মসমিতির বৈঠকে! উচ্চশিক্ষা দফতরের হাতে নথি তুলে দিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়

গত মাসেই উচ্চশিক্ষা দফতর এই রিপোর্ট তলব করেছিল। বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে সেই তথ্য দফতরে পাঠানো হল। এর পরই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরেই প্রশ্ন উঠেছে, অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এই তথ্য নেওয়া হচ্ছে? না কি যাদবপুর ব্যতিক্রম?

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:৪৩
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল চিত্র।

গত তিন বছরের নথি দাখিল করল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। তিন বছরে কর্মসমিতিতে যা যা সিদ্ধান্ত হয়েছে, সবই কর্তৃপক্ষ পাঠালেন উচ্চশিক্ষা দফতরে।

সূত্রের খবর, গত মাসেই উচ্চশিক্ষা দফতর এই রিপোর্ট তলব করেছিল। বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে সেই তথ্য দফতরে পাঠানো হল। এর পরই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরেই প্রশ্ন উঠেছে, অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এই তথ্য নেওয়া হচ্ছে? না কি যাদবপুর ব্যতিক্রম?

বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরের খবর, কর্মসমিতিতে যেমন উচ্চশিক্ষা দফতরের মনোনীত ব্যক্তিরা থাকেন, তেমনই আচার্যের প্রতিনিধিও থাকেন। পাশাপাশি থাকেন অর্থ বিভাগের প্রতিনিধিও। তাই প্রতিটি কর্মসমিতির বৈঠকের ‘রেজ়োলিউশন’ তাঁদের কাছে পাঠানো থাকে। সেখানে নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এই তথ্য চাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য অংশের মতে, এই ধরনের রেজোলিউশন তো প্রকাশ্যে থাকা উচিত। রাজ্যে পালা বদলের পরে সরকারের কাছে এই দাবি তুলেছিল ভারতীয় মজদুর সংঘ অনুমোদিত পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সংঘ। তাদের তরফে দাবি করা হয়েছিল এই প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসমিতির সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে থাকা প্রয়োজন। কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে তা সকলের সামনে থাকা দরকার। কারও কোনও অভিযোগ থাকলে সেখানেই তা স্পষ্ট হতে পারে।

তবে এ ক্ষেত্রে যাদবপুরের গত তিন বছরের তথ্য জানতে চাওয়ার বিষয়ে অবশ্য শিক্ষকদের মধ্যে থেকে অনেকে বলছেন সরকারের কাছেই তো তথ্য থাকার কথা। তা কি সংরক্ষিত নেই? আবার অন্য অংশের মতে, এই তথ্য চাওয়ার মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকতা নেই। সরকার চাইতেই পারে। অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সম্পাদক ভাষ্কর সর্দার বলেন, ‘‘এই নথিগুলি প্রকাশ্যে এলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক সিদ্ধান্ত, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন নিয়োগ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট নথিগুলি যথাযথ ভাবে পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজন হলে জনসমক্ষে প্রকাশ করা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনসম্মত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

JU EC

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy