Advertisement
E-Paper

স্কুলে নিরাপদ পানীয় জল নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশিকা, ৩১ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করতে হবে পরীক্ষা

আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে জল সংগ্রহ, পরীক্ষা এবং শংসাপত্র দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার পিএইচই দফতরের এগজ়িকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারেরা স্কুলগুলিতে জল পরীক্ষার বিষয়টি তদারকি করবেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:১৯
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

রাজ্যের সব সরকারি ও সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে পড়ুয়াদের জন্য নিরাপদ ও পরিষ্কার পানীয় জল নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ করল জনস্বাস্থ্য কারিগরি অধিদফতর (পিএইচই ডিরেক্টরেট)। ‘স্বচ্ছ ও হরিৎ বিদ্যালয় রেটিং’ (এসএইচভিআর) প্রক্রিয়ার আওতায় প্রতিটি স্কুলের পানীয় জলের নমুনা সংগ্রহ করে তার গুণমান পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ স্কুলগুলিকে দেওয়া হবে ‘ওয়াটার কোয়ালিটি টেস্ট সার্টিফিকেট’।

সম্প্রতি পিএইচই দফতরের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, সব ডিভিশনের এগজ়িকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারদের দ্রুত এই প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে জল সংগ্রহ, পরীক্ষা এবং শংসাপত্র দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার পিএইচই দফতরের এগজ়িকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারেরা স্কুলগুলিতে জল পরীক্ষার বিষয়টি তদারকি করবেন।

সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শিক্ষক মহলের একাংশ। শিয়ালদহ মিত্র ইনস্টিটিউশনের (মেন) প্রধানশিক্ষক সায়ন্তন দাস বলেন, ‘‘পানীয় জলের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবশ্যই নিয়মিত পরিষ্কার ও পরীক্ষা করা উচিত।’’ তবে অন্য এক শিক্ষকের বক্তব্য, স্কুলগুলিকে দেওয়া কম্পোজ়িট গ্রান্ট দিয়ে প্রতিবছর পানীয় জলের ট্যাঙ্ক ও জলের উৎস পরিষ্কার করার খরচ চালানো সবসময় সম্ভব হয় না। তাই শুধু জলের নমুনা পরীক্ষা নয়, পানীয় জলের উৎস নিয়মিত পরিষ্কার রাখার জন্যও আলাদা সরকারি আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত অগস্টে দেশবন্ধু পার্কের কাছে পার্ক ইনস্টিটিউশন ফর গার্লস স্কুলের ৩৩ জন পড়ুয়া একসঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর সকলকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সে সময় প্রধানশিক্ষিকা অলকানন্দা মজুমদার জানিয়েছিলেন, বছরে নিয়মিত দু’বার করে জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করা হয়। ইতিমধ্যে এক বার পরিষ্কার করা হয়ে গিয়েছে। বাকি আর এক বারও তাড়াতাড়ি করা হবে। তবে ওই ঘটনা যে জল থেকেই হয়েছিল, তার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি এখনও পর্যন্ত। মনে করা হচ্ছে, এমন ঘটনা এড়াতেই এই নির্দেশিকা প্রকাশ। পড়ুয়াদের যাতে পানীয় জলের কারণে কোনও অসুস্থতা না হয়, সেই দিকেও নজর দিতে চাইছে প্রশাসন।

school

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy