২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে দশম শ্রেণির টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে রাজ্যের সব স্বীকৃত মাধ্যমিক স্কুলকে নির্দেশিকা দিল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। ২০২৬ সালের সিলেকশন টেস্টের প্রশ্নপত্র তৈরি, পরীক্ষা পরিচালনা এবং প্রশ্নপত্র জমা দেওয়া নিয়ে একাধিক নিয়ম জানানো হয়েছে পর্ষদের তরফে।
পর্ষদের নির্দেশ অনুযায়ী, টেস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার দিনই স্কুলগুলিকে সব বিষয়ের প্রশ্নপত্রের স্ক্যান করা কপি এবং সম্পাদনাযোগ্য সাধারণ সফ্ট কপি পাঠাতে হবে পর্ষদের তরফে দেওয়া নির্দিষ্ট ইমেল আইডি-তে।
কী কী নির্দেশ দিল পর্ষদ?
১। প্রশ্নপত্র তৈরির দায়িত্ব স্কুলের শিক্ষকদের: সংশ্লিষ্ট বিষয়ের প্রশ্নপত্র তৈরি করতে হবে ওই স্কুলের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদেরই। কোনও বহিরাগত সংস্থা বা একাধিক স্কুলের ক্লাস্টার মিলিত ভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারবে না। এই নিয়ম লঙ্ঘিত হলে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকাকে দায়ী করা হবে বলে জানিয়েছে পর্ষদ।
২। নির্ধারিত সিলেবাস মেনে প্রশ্ন: দশম শ্রেণির জন্য পর্ষদ নির্ধারিত পাঠ্যক্রম ও সিলেবাস অনুসরণ করেই প্রশ্নপত্র তৈরি করতে হবে। এমন কোনও প্রশ্ন রাখা যাবে না, যা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে বা পর্ষদ ও রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে পারে।
৩। পর্ষদের সময়সূচি মেনে পরীক্ষা: টেস্ট পরীক্ষা পরিচালনার ক্ষেত্রে পর্ষদের আগে প্রকাশিত সময়সূচি মেনে চলতে হবে।
৪। প্রশ্নপত্র পাঠালেই টেস্ট পেপারে প্রকাশ নয়: যে সব স্কুলের অনুমোদন এখনও বৈধ রয়েছে, শুধু সেই স্কুলগুলিই প্রশ্নপত্র জমা দিতে পারবে। তবে প্রশ্নপত্র জমা দিলেই তা পর্ষদের টেস্ট পেপারে প্রকাশিত হবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। পুনরাবৃত্তি এড়ানো এবং টেস্ট পেপারের আয়তন সীমিত রাখার জন্য প্রশ্নপত্র বেছে নেওয়ার অধিকার পর্ষদের হাতেই থাকবে।
আরও পড়ুন:
-
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএ, বিএসসি চতুর্থ সেমেস্টার-এর ফলপ্রকাশ শীঘ্রই, কবে, কী ভাবে দেখা যাবে ফলাফল?
-
জ্যোতি বসু পড়তেন ধর্মতলা লোরেটোয়! ঠাকুরপুকুর শাখায় অষ্টম শ্রেণি, শিয়ালদহে একাদশ-দ্বাদশে ছেলেরাও পাবে পড়ার সুযোগ
-
ডিসেম্বরে সমাবর্তন আয়োজন নিয়ে উদ্বিগ্ন যাদবপুরের শিক্ষকেরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে চিঠি দিল জুটা
পর্ষদের এই নির্দেশিকার মাধ্যমে টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরির দায়িত্ব স্কুলের নিজস্ব শিক্ষকদের উপরেই রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, পরীক্ষা শেষ হওয়ার দিনই প্রশ্নপত্র জমা দেওয়ার নিয়ম চালু করে প্রশ্নের মান ও পাঠ্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।