Advertisement
E-Paper

আর্কটিক অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব বা প্রযুক্তির নিরাপত্তা নিয়ে গবেষণা! মিলতে পারে টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ বৃত্তি

প্রতিষ্ঠানের তরফে জানানো হয়েছে, এই বৃত্তির ক্ষেত্রে ৫০ মিলিয়ন কানাডিয় ডলার দিয়েছে এক অজ্ঞাতপরিচয় সংস্থা। বাকি অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে দেওয়া হবে। কানাডা-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মেধাবী গবেষকদের এই কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ২০:৩৮
টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়।

টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত।

গবেষণা ক্ষেত্রে নতুন বৃত্তির কথা ঘোষণা করেছে কানাডার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়। জানানো হয়েছে, ১০০ মিলিয়ন কানাডিয় ডলার বিনিয়োগে নতুন ‘প্রেসিডেন্টস ইমপ্যাক্ট স্কলারশিপ প্রোগ্রাম’-এর সূচনা করা হচ্ছে। এর আওতায় গবেষকেরা টানা চার বছর আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন। পাশাপাশি, বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কাজ এবং শিল্প সংস্থা ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে গবেষণার বাস্তব প্রয়োগ সংক্রান্ত শিক্ষার সুযোগ মিলবে।

প্রতিষ্ঠানের তরফে জানানো হয়েছে, এই বৃত্তির ক্ষেত্রে ৫০ মিলিয়ন কানাডিয় ডলার দিয়েছে এক অজ্ঞাতপরিচয় সংস্থা। বাকি অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে দেওয়া হবে। কানাডা-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মেধাবী গবেষকদের এই কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের।

গবেষকেরা প্রতি বছর ৮০ হাজার কানাডিয় ডলার পাবেন চার বছরের জন্য। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ আনুমানিক ৫০ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ, চার বছরে একজন গবেষক মোট ৩ লক্ষ ২০ হাজার কানাডিয় ডলারের আর্থিক সহায়তা পাবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম বছরে ১২-১৩ জন গবেষককে বেছে নেওয়া হবে। চতুর্থ বছরের শুরুতে এই কর্মসূচির আওতায় মোট গবেষকের সংখ্যা ৫০-এ পৌঁছবে। তার পরেও এই সংখ্যা বজায় রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট সামাজিক সমস্যাকে কেন্দ্র করে গবেষণার বিষয় নির্ধারণ করা হবে। যেমন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা, আর্কটিক অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব, প্রযুক্তির নিরাপত্তা বা পরিবেশের মতো বিষয় নিয়ে কাজের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এই গবেষণায় আইন, দর্শন, সমাজবিজ্ঞান কম্পিউটার সায়েন্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো বিভিন্ন বিষয়ের গবেষকেরা একসঙ্গে কাজ করবেন। প্রত্যেক নির্বাচিত পড়ুয়াকে ভিন্ন দু’টি বিষয়ের বিশেষজ্ঞ দু’জন অধ্যাপকের অধীনে গবেষণা করতে হবে। এর ফলে একটি সমস্যাকে একাধিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করার সুযোগ পাবেন তাঁরা।

শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগার বা শ্রেণিকক্ষের মধ্যে এই কর্মসূচি সীমাবদ্ধ থাকবে না। নির্বাচিত পড়ুয়াদের জন্য সরকারি সংস্থার সঙ্গে কাজ, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে গবেষণার সুযোগ এবং শিল্প সংস্থায় ইন্টার্নশিপের ব্যবস্থা থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব উদ্যোগপতি ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগও তৈরি করা হবে। গবেষণার ফল যাতে বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানে কাজে লাগে, সেই দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

কারা আবেদন করতে পারবেন?

কানাডা এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের মেধাবী পিএইচডি গবেষকেরা এই কর্মসূচির জন্য বিবেচিত হবেন। শুধু পড়াশোনার ফল নয়, আবেদনকারীর গবেষণার মান, নতুন কিছু উদ্ভাবনের ক্ষমতা এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানে কাজ করার অভিজ্ঞতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, আবেদন সংক্রান্ত বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-এর শেষের দিকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা।

PhD Programme

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy