বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন গায়িকা কনিকা কপূর। ‘বেবি ডল’, ‘চিট্টিয়া কলাইয়াঁ’ কিংবা ‘লভলি’র মতো জনপ্রিয় গান গেয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে সমাজমাধ্যমে তিনি জানালেন, স্বামী গৌতম হাথীরমানীর সঙ্গে আর এক ছাদের নীচে থাকছেন না তিনি। উভয়ের সম্মতিতেই আলাদা হওয়ার এই সিদ্ধান্ত, জানিয়েছেন গায়িকা।
ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন কনিকা। তিনি লেখেন, “প্রিয় বন্ধুরা, অনেক ভেবেচিন্তে আমরা স্বামী-স্ত্রী হিসাবে আলাদা পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” একসঙ্গে কাটানো সময়ের জন্য কৃতজ্ঞ কনিকা। তিনি গৌতমের আগামী জীবনের জন্য শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। পাশাপাশি অনুরোধ করেছেন, “আমাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করবেন। এই সময়ে আমাদের প্রতি সহানুভূতিশীল থাকবেন।”
গৌতমের সঙ্গে কনিকার বিয়ে হয়েছিল ২০২২ সালের মে মাসে। তাঁদের বিয়ের ছবি ও ভিডিয়ো সে সময়ে সমাজমাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। তবে চার বছরের মাথায় সেই সম্পর্কে দাঁড়ি টানার সিদ্ধান্ত নিলেন দু’জনে। যদিও বিচ্ছেদের নেপথ্যে কী কারণ, তা নিয়ে মুখ খোলেননি গায়িকা।
একাধিক হিট গান রয়েছে কনিকার।
কনিকার জীবনে এর আগেও এক বার বিবাহবিচ্ছেদ ঘটেছে। ১৯৯৯ সালে রাজ চন্ডোকের সঙ্গে তাঁর প্রথম বিয়ে হয়। ২০১২ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। প্রথম স্বামীর সঙ্গে কনিকার তিন সন্তান রয়েছে। দুই মেয়ে আয়ানা ও সামারা এবং ছেলে যুবরাজ। প্রথম সংসার ভাঙার পরেই গানের জগতে নিজের জায়গা তৈরি করতে শুরু করেন কণিকা। ‘রাগিনি এমএমএস ২’ ছবিতে ‘বেবি ডল’ গান তাঁকে রাতারাতি পরিচিতি এনে দেয়।
আরও পড়ুন:
তার পর একের পর এক হিন্দি ছবিতে কনিকার গান জনপ্রিয় হয়েছে। ‘পুষ্পা’ ছবিতে ‘উ অন্তবা’ গানের হিন্দি সংস্করণেও কনিকার কণ্ঠ শোনা গিয়েছে।
কনিকার বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসতেই মনখারাপ তাঁর অনুরাগীদের। তবে ব্যক্তিগত জীবনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আপাতত বিস্তারিত কিছু জানাতে চাননি গায়িকা।