দক্ষিণী ছবিতে কাজ করতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখে পড়েছিলেন অভিনেত্রী রাধিকা আপ্টে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই অভিজ্ঞতার কথা জানাতেই সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে বিতর্ক। অভিনেত্রীর মন্তব্যে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন তেলুগু তারকা নন্দমুরি বালকৃষ্ণের অনুরাগীদের একাংশ। তাঁদের দাবি, রাধিকা আসলে ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘লেজেন্ড’ ছবিটির কথাই বলেছেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাধিকা জানান, একটি তেলুগু ছবিতে তাঁকে এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করতে হয়েছিল, যেখানে নিজের মামাকেই বিয়ে করে তাঁর চরিত্রটি। ছবির নাম অবশ্য প্রকাশ করেননি অভিনেত্রী। রাধিকার কথায়, “একটি তেলুগু ছবিতে অভিনয় করেছিলাম। সেখানে নিজের মামাকে বিয়ে করতে হয়েছিল আমার চরিত্রটিকে। ছবিটিতে অভিনয় করা আমার কাছে ভীষণ কঠিন ছিল। ওই ছবির কোনও কিছুই আমার ভাল লাগেনি।”
সাক্ষাৎকারে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী কীর্তি সুরেশও। তিনি জানান, তামিল ও তেলুগু সংস্কৃতিতে মামাকে বিয়ে করার রীতি রয়েছে। তবে রাধিকার আপত্তি শুধু ওই বিষয়টিতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তাঁর কথায়, “আমাকে নিজের থেকে অনেক বেশি বয়সি এক অভিনেতার সঙ্গে প্রেমের দৃশ্যে অভিনয় করতে হয়েছিল। গোটা বিষয়টির মধ্যে পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা কাজ করছিল। সেই পরিবেশে কাজ করাই ছিল আমার কাছে সবচেয়ে কঠিন।”
রাধিকার এই মন্তব্যের পরেই অনেকে অনুমান করতে শুরু করেন, তিনি সম্ভবত বালকৃষ্ণ অভিনীত ‘লেজেন্ড’ ছবিটির কথাই বলছেন। ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ওই ছবিতে নন্দমুরি বালকৃষ্ণের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন রাধিকা। ফলে অভিনেত্রীর মন্তব্য ঘিরে ক্ষুব্ধ হয়েছেন বালকৃষ্ণের অনুরাগীদের একাংশ।
সমাজমাধ্যমে এক নেটাগরিক লেখেন, “যে ছবিটির কথা বলা হচ্ছে, সেটি ২০১৪ সালের ‘লেজেন্ড’। ছবিতে অভিনয় করেছিলেন নন্দমুরি বালকৃষ্ণ। তবে চিত্রনাট্য বা নায়কের বয়স নিয়ে সমস্যা থাকলে ছবিটি করার আগেই তা বলা উচিত ছিল।”
আর এক নেটাগরিক রাধিকার মন্তব্যের সমালোচনা করে লেখেন, “অভিনেত্রী আদিল হুসেনের সঙ্গে ‘পার্চড’ ছবিতে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করেছিলেন। সেখানে বয়সের ব্যবধান নিয়েও তো প্রশ্ন উঠতে পারে। শুধু দক্ষিণী ছবিতে বালকৃষ্ণ বা রজনীকান্তের মতো অভিনেতাদের বয়স নিয়ে আপত্তি করছেন তিনি।”