পাতা জুড়ে অগুনতি ছক। সঙ্গে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নানা নম্বর এবং শব্দ। বিশেষ এই ধাঁধার জন্ম কিন্তু সাগরপাড়ে। ১৯ শতকের ইংল্যান্ড, ছোটদের কাছে বহুল জনপ্রিয় ছিল এই খেলা। পরবর্তীকালে এর উপস্থিতি বাড়ে বড়দের আড্ডার আসরেও। আমেরিকাতেও পসার জমাতে খুব বেশি সময় লাগেনি এই শব্দছকের। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বিস্তর ইতিহাস।
মনে করা হয়, ১৯ শতকে ইংল্যান্ডে প্রথম জন্ম এই ধাঁধার। সেই সময় যদিও ছোটদের ওয়ার্ড পাজ়ল বই আর নার্সারি স্কুলের বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল এই ধাঁধা। সেগুলি ছিল চার অথবা ছয় ছকের ছোট ক্রসওয়ার্ড। পরবর্তীকালে আমেরিকায় এসে এই খেলা বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং সব বয়সের মানুষের অবসরের সঙ্গী হয়ে ওঠে। ১৯১৩ সালের ২১ ডিসেম্বর দৈনিক পত্রিকা ‘নিউ ইয়র্ক ওয়ার্ল্ড’–এর রবিবারের ক্রোড়পত্রিকা ‘ফান’ –এ বিশ্বের প্রথম ক্রসওয়ার্ড পাজল প্রকাশিত হয়। আর এর নেপথ্যে মূল মানুষটি যিনি ছিলেন, তিনি হলেন লিভারপুলের সাংবাদিক আর্থার ওয়েন। ক্রসওয়ার্ড পাজ়লের প্রথম নাম ছিল ‘ওয়ার্ডক্রস পাজ়ল’। পরে মুদ্রণ সেই নাম হয়ে দাঁড়ায় ‘ক্রসওয়ার্ড পাজ়ল’। অন্য একটি মত বলে, সাংবাদিক আর্থার নাকি নিজেই উল্টে দিয়েছিলেন শব্দটি। সেই নামেই জনপ্রিয় হয় শব্দ জটের খেলা। বলা হয়, তিনিই নাকি ছিলেন এই খেলার জন্মদাতা। তা নিয়ে অবশ্য দ্বিমতও কম নয়।
১৯১৩ সালের পরে ধীরে ধীরে তা বাংলায় জনপ্রিয় হয় এই আধুনিক শব্দছক খেলা। বাংলা ভাষায় ক্রসওয়ার্ড বিভিন্ন নামে পরিচিত হয়েছে, যেমন— শব্দছক, শব্দজব্দ, শব্দজট, শব্দসন্ধান, শব্দচতুষ্ক ইত্যাদি।
মগজাস্ত্রের লড়াইয়ে সেরা স্কুলের খোঁজ করতে আবারও 'শব্দ-জব্দ' নিয়ে হাজির আনন্দবাজার ডট কম। আনন্দবাজার ডট কম আয়োজিত ‘শব্দ-জব্দ ২০২৬'-এর পার্টনাররাও এই সম্মান জ্ঞাপনের সঙ্গী। প্রতিযোগিতার প্রেজ়েন্টিং পার্টনার ‘ইস্টার্ন ইনস্টিটউট ফর ইন্টিগ্রেটেড লার্নিং ইন ম্যানেজমেন্ট’। পাওয়ার্ড বাই পার্টনার ‘রিলায়েন্স ট্রেন্ডস্’, ‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’ এবং ‘এনএসএইচএম নলেজ ক্যাম্পাস, দুর্গাপুর’। ধন্যবাদ আমাদের অন্যান্য সহযোগীদেরও — ‘শব্দবাজি’ এবং ‘ডেলিফান’।