কখনও সর্দি-কাশি, কখনও অ্যালার্জি আবার কখনও বাতের ব্যথাবেদনা ভোগাচ্ছে। তার উপর ইনফ্লুয়েঞ্জা, সোয়াইন ফ্লুয়ের আতঙ্ক। সংক্রামক রোগ থেকে যদি বাঁচতে হয়, তা হলে মুঠো মুঠো ওষুধ খেয়ে লাভ কিছু হবে না। দোকান থেকে কেনা এনার্জি ড্রিঙ্কও ক্ষতিকর। তার বদলে নিয়মিত অভ্যাস করতে পারেন সহজ কিছু যোগাসন। শরীরের রোগপ্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি করতে হলে সকালে নিয়ম করে অন্তত তিনটি আসন অভ্যাস করতেই হবে।
উত্থান মণ্ডুকাসন
প্রথমে বজ্রাসনের ভঙ্গিতে বসুন। অর্থাৎ হাঁটু ভাঁজ করে পায়ের উপর বসতে হবে। এ বার হামাগুড়ি দেওয়ার ভঙ্গি করুন। দু’টি পা ছড়িয়ে দিন দু’পাশে। এমন ভাবে ছড়াতে হবে, যেন দু’টি ঊরু এবং হাঁটু মাটি স্পর্শ করে থাকে। দেখতে অনেকটা ব্যাঙের মতো লাগবে। থুতনি, বুক, পেটও মাটির সঙ্গে ঠেকে থাকবে। এই অবস্থায় ৩০ সেকেন্ড থাকতে পারলে ভাল হয়। না হলে প্রথমে ১০ সেকেন্ড থাকুন। ধীরে ধীরে সময় বৃদ্ধি করবেন। অন্তঃসত্ত্বা মহিলারা এই যোগাসন করবেন না।
আরও পড়ুন:
বৃক্ষাসন
সোজা হয়ে দাড়িয়ে নিজের দু’টি হাত নমস্কারের ভঙ্গিতে বুকের কাছে আনুন। তার পর শরীরের ভারসাম্য রেখে নিজের ডান পায়ের হাঁটু ভাজ করে পায়ের পাতাটি বাঁ পায়ের ঊরুর উপর আনুন। পিঠ সোজা সোজা রেখে নিজের হাত নমস্কার ভঙ্গিতে সমান ভবে মাথার উপর নিয়ে যান ৩০ সেকেন্ড এই ভঙ্গিতে এক পায়ের উপর দাঁড়িয়ে থাকুন। ২০ সেকেন্ড থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসুন ও পা বদল করে নিয়ে পুনরায় করুন।
গোরক্ষাসন
প্রথমে ম্যাটের উপর বসুন। দু’টি পা সামনের দিকে ছড়িয়ে দিন। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখুন। দু’টি পা ভাঁজ করে কোলের কাছে টেনে নিয়ে আসুন। দু’টি গোড়ালি যতটা সম্ভব ভিতরের দিকে টেনে আনিন। পায়ের পাতা থাকবে প্রণামের ভঙ্গিতে। ধীরে ধীরে পায়ের আঙুলের উপর ভর দিয়ে গোটা শরীরটা মাটি থেকে তুলে নিন। ধীরে ধীরে গোড়ালির উপর রাখুন। চাইলে নিতম্ব গোড়ালি স্পর্শ করে থাকতে পারে। দুই হাত থাকবে দু’টি হাঁটুর উপর। এই অবস্থানে থাকুন ৩০ সেকেন্ড।