টানা কয়েক দিন ধরে ঠাকুর দেখা, আত্মীয়স্বজনের বাড়ি যাওয়া, খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম এবং কোলাহলের ধকল সবচেয়ে বেশি পড়ে বাড়ির বয়স্কদের উপর। শারীরিক ক্লান্তি, পেটের সমস্যা, ঘুমের ব্যাঘাত এমনকি মনখারাপ বা একাকিত্বের অনুভূতি তাঁদের ঘিরে ধরতে পারে। এই সময়ে বাড়ির প্রবীণ সদস্যদের শরীর ও মনের যত্ন নেওয়া বেশি জরুরি। ঠিক কী কী বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে, তা জেনে নেওয়া ভাল।
পরিমিত আহার
পুজোর দিনগুলিতে মিষ্টি, ছাঁকা তেলে ভাজা লুচি, মশলা দেওয়া খাবার খাওয়ার ফলে প্রবীণদের হজমের সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক। তাই আগামী কিছু দিন তেলমশলা ছাড়া হালকা খাবারই দিন তাঁদের। ডাল, সেদ্ধ সব্জি, মাছ বা মাংস হলে পাতলা ঝোল, নানা রকম মরসুমি ফল খেতে পারে বয়স্কেরা। দোকান থেকে কেনা ফলের রস দেবেন না। বদলে বাড়িতে বানিয়ে দিন ডিটক্স পানীয় বা ফল-বাদামের স্মুদি। পেট ভাল রাখতে টকদই বা দইয়ের ঘোল দিতে পারেন। শরীর আর্দ্র রাখতে শরীর বুঝে জল, ডাবের জল দিতে পারেন।
নিয়মিত চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যপরীক্ষা
পুজোর অনিয়মে সুগার বেড়ে যেতে পারে হঠাৎ করে। আবার হার্টের সমস্যা থাকলে সে দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। তাই বয়স্কেরা যেন নিয়ম করে ওষুধপত্র খান, সে দিকে নজর রাখতে হবে। প্রয়োজনে রক্তচাপ, সুগার, কোলেস্টেরল- ট্রাইগ্লিসারাইডের পরীক্ষা করিয়ে নিন।
পর্যাপ্ত ঘুম
প্রতিদিন রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমোতে যাওয়া এবং সকালে নির্দিষ্ট সময়ে ওঠার অভ্যাস ফিরিয়ে আনুন। ক্লান্তি কাটাতে দুপুরে অন্তত ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টার বিশ্রাম বা ঘুম বয়স্কদের জন্য ভাল।
মনের যত্ন
অনেক পরিবারেই বয়স্করা নিজেদের অবহেলিত মনে করে গৃহবন্দি করে রাখেন। মনঃকষ্টেও ভোগেন। এই মানসিক দশা থেকে বার করে আনার দায়িত্ব নিতে হবে পরিবারের সদস্যদেরই। পুজোর আনন্দে তাঁদের সঙ্গে নিন। বয়স্কদের পাশে থাকলে, গল্প করলে, দেখবেন তাঁদের অবসাদ অনেক কেটে গিয়েছে।
নিয়মিত ব্যায়াম
নিয়মিত ব্যায়াম বয়স্ক মানুষদের শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল থাকতে সাহায্য করে। কার জন্য কোন ব্যায়াম উপযুক্ত জেনে নিন। তবে সকালে ২০ মিনিটের মতো হাঁটা, হালকা স্ট্রেচিং করতেই পারেন। চেয়ারে বসে পায়ের কিছু ব্যায়াম যেমন নি রেজ়, কাফ রেজ়, অ্যাঙ্কল রোটেশন করলে তাঁদের পায়ের ব্যথা কম হবে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
- উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
- সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
-
শতবর্ষপ্রাচীন প্রতিমার পুজোর ভোগে ১০ রকমের খাবার! দেবাদৃতার ঘরোয়া লক্ষ্মীপুজো ঠিক কেমন হল
-
ঘরোয়া ভাবে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এ বার লক্ষ্মীপুজো শ্রীলেখার! দেবীর কাছে কোন বিশেষ প্রার্থনা করবেন তিনি?
-
‘মায়ের পছন্দ না হলে আমার হাত দিয়ে অন্য কিছু করান,’ অপরাজিতার বাড়ির লক্ষ্মীপুজোয় এ বার কী কী আয়োজন?
-
কেন জোড়া ইলিশ দেওয়া হয় লক্ষ্মীপুজোয়? তেল-মশলা ছাড়াই বানানো হয় ভোগপ্রসাদ, রন্ধনের নিয়মও আলাদা
-
লক্ষ্মীলাভে কেন পিছিয়ে বাংলা ছবি, কোন পথে আসবে সমৃদ্ধি? কী বলছেন প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতারা