Advertisement
E-Paper

ডক্টর রেড্ডি’জ়-এর এইচআইভির ওষুধ অনুমোদন পেল, বছরে দু’টি ইঞ্জেকশনেই ধ্বংস হবে ভাইরাস

এইচআইভি (হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস) প্রতিরোধের ওষুধ নিয়ে বিশ্ব জুড়েই গবেষণা চলছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি খাওয়ার ওষুধ ও ইঞ্জেকশন অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। তার মধ্যে ভারতের ডক্টর রেড্ডি’জ় ল্যাবরেটরিজ়ের তৈরি এইচআইভির ইঞ্জেকশন অনুমোদন পেয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি সেটি পাওয়া যাবে দেশের বাজারে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ১২:২৩
The Twice-Yearly Injection Revolutionizing HIV Prevention, Dr. Reddy’s Breakthrough HIV Shot Wins U.S FDA Nod

এইচআইভি প্রতিরোধের ওষুধ আসছে। ফাইল চিত্র।

ক্যানসারের মতো মারণরোগ এইচআইভি প্রতিরোধেরও তেমন ওষুধ ছিল না একসময়। ক্যানসারের চিকিৎসায় বিপ্লব ঘটেছে, সে দিক থেকে এখনও অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে এইচআইভির চিকিৎসা। তবে গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি ওষুধ ও ইঞ্জেকশনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। তার মধ্যে ভারতে ডক্টর রেড্ডি’জ় ল্যাবরেটরিজ়ের তৈরি এইচআইভির ইঞ্জেকশন আমেরিকার এফডিএ-র (ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) অনুমোদন পেয়েছে। এফডিএ-র অনুমোদন পাওয়া মানেই ওষুধটি বিশ্বের নানা দেশে পাওয়া যাবে। সহজলভ্য হবে এ দেশেও।

ওষুধটির নাম লেনাক্যাপাভির। এইচআইভি (হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস) প্রতিরোধের জন্যই সেটি তৈরি করা হয়েছে। ওষুধটি ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হবে। ডোজ় বছরে দু’টি। তাতেই এইচআইভির মতো মারণরোগের ঝুঁকি কমবে বলে দাবি করা হয়েছে। লেনাক্যাপাভির ওষুধটি তৈরি করেছে আমেরিকার ওষুধ নির্মাতাসংস্থা গিলিয়াড সায়েন্সেস। ২০২৪ সালের অক্টোবরে গিলিয়াড সায়েন্সেসের কাছ থেকে ওষুধটির স্বত্ব কিনে নেয় হায়দরাবাদের খ্যাতনামা ওষুধ নির্মাতা সংস্থা ডক্টর রেড্ডি’জ় ল্যাবরেটরিজ়। এর পর থেকে ওষুধটি তারাই তৈরি করছে দেশে। তবে এত দিন সেটি ট্রায়ালেই ছিল। আমেরিকার এফডিএ-র অনুমোদন পাওয়ার পরে সেটি খুব তাড়াতাড়ি দেশের বাজারেও চলে আসবে মনে করা হচ্ছে।

এইচআইভি কিন্তু ক্যানসারের মতো নয়। ক্যানসারের কোষ বিভাজিত হয়ে সংখ্যায় বেড়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এইচআইভি অন্য ভাবে ডালপালা মেলে শরীরে। এই ভাইরাস শরীরে ঢুকে সবচেয়ে আগে রোগপ্রতিরোধী কোষগুলিকে নষ্ট করতে থাকে। তাদের মধ্যে টি-কোষ (টি লিম্ফোসাইট কোষ) ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশি। এই টি-কোষই বাইরের রোগজীবাণু থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। ফলে টি-কোষ নষ্ট হতে থাকলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সামান্য সর্দি-জ্বরেও প্রাণসংশয় হতে পারে। লেনাক্যাপাভির ওষুধটি শরীরের রোগপ্রতিরোধী কোষগুলির সুরক্ষাকবচ হিসেবেই কাজ করবে বলে দাবি গবেষকদের।

ওষুধের কাজ হবে শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তোলা। পাশাপাশি ভাইরাসের প্রোটিন নষ্ট করে দেওয়া। এই প্রোটিনই শরীরের সুস্থ কোষ ও স্নায়ুর ক্ষতি করে। সেটি নষ্ট হলেই ভাইরাস দুর্বল হয়ে পড়বে এবং রোগ ছড়ানোর ক্ষমতা হারাবে।

লেনাক্যাপাভিরের ডোজ় হল ছ’মাস অন্তর দু’টি ইঞ্জেকশন। এই ডোজ় নিলে এইআচআইভি হওয়ার ঝুঁকি কমবে বলেই দাবি। তবে অন্যান্য যৌনরোগের চিকিৎসায় এটি কার্যকর হবে না।

HIV Virus aids

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy