স্নানযাত্রার পর পক্ষকাল অনসরকালে রাজবৈদ্যের চিকিৎসা এবং সেবা-শুশ্রূষায় সুস্থ হয়ে ওঠেন জগন্নাথদেব। মহাপ্রভু পুনর্যৌবন উৎসব পালন করেই বেড়াতে যান মাসির বাড়ি। স্নানযাত্রায় স্নানের পর শারীরিক অসুস্থতার কারণে প্রভু শ্রী জগন্নাথ অনসরকাল কাটান। স্নানযাত্রায় স্নান করার পর প্রভু শ্রী জগন্নাথদেব অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ভক্তগণের থেকে নিভৃতে অনসরকালে চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসাধীন থেকে এক পক্ষকাল যাবৎ চিকিৎসা এবং সেবা-শুশ্রূষায় সুস্থ হয়ে ওঠেন। সুস্থ হয়ে প্রথমেই মাসির বাড়ি বেড়াতে যান। সেই বেড়াতে যাওয়ার উৎসবই রথযাত্রা হিসাবে পরিচিত।
আরও পড়ুন:
রথযাত্রার পুণ্য তিথিতে নিজ নিজ রথে প্রভু জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রা বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে শোভাযাত্রা সহকারে নিজের বাড়ি থেকে এক সপ্তাহের জন্য মাসির বাড়ি বেড়াতে যান। রথযাত্রা হিন্দু ধর্মের, বিশেষত প্রভু শ্রী জগন্নাথের ভক্তদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব এবং পুণ্য তিথিও।
রথযাত্রার পুণ্য তিথিতে শ্রী জগন্নাথধাম পুরী ছাড়াও সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ-সহ সমগ্র ভারতে, এমনকি ভারতের বাইরে পৃথিবীর অন্যান্য স্থানেও (যেখানে জগন্নাথদেবের ভক্ত বর্তমান) মহা সমারোহে পুণ্য রথযাত্রা পালিত হয়।
আরও পড়ুন:
শাস্ত্রমতে রথ টানলে, এমনকি রথের দড়ির স্পর্শে পুণ্য লাভ হয়। শাস্ত্রমতে রথযাত্রার পুণ্য তিথি যে কোনও শুভ কাজ শুরু করার জন্য ভাল।
আগামী ৩১ আষাঢ়, ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার রথযাত্রা।
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে—
অমৃতযোগ:
দুপুর ৩টে ৪২ মিনিটে অস্তাবধি। সন্ধ্যা ৭টা ৩ মিনিট থেকে ৯টা ১২ মিনিট পর্যন্ত, পুনরায় রাত ১২টা ৫ মিনিট থেকে ২টো ১৩ মিনিট পর্যন্ত। ৩টে ৪০ মিনিট থেকে উদয়াবধি।
মাহেন্দ্রযোগ:
ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটের মধ্যে। সকাল ৯টা ৩১ মিনিট হতে ১টা ১৬ মিনিট পর্যন্ত।