সংখ্যাতত্ত্বের সমস্ত হিসাব করা হয় জন্মতারিখের ভিত্তিতে। কোনও মানুষের জন্মতারিখ অপরিবর্তনীয় হয়। তাই এর বিচারে যে সকল তথ্য পাওয়া যায়, সেগুলি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সত্য হতে বা ফলে যেতে দেখা যায়। সংখ্যাতত্ত্বের সাহায্যে জন্মতারিখের ভিত্তিতে হিসাব করা হয় মানুষের জন্মসংখ্যা। জন্মসংখ্যার বিচারে কোনও মানুষ কেমন প্রকৃতির, জীবনে কী হতে পারে, আশপাশের মানুষদের সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ প্রভৃতি সম্বন্ধে একটা ধারণা দেওয়া যায়। সেগুলি যে সব পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে মিলে যাবে তা ন। তবে অনেক ক্ষেত্রেই সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়। সেই বিচারে দেখা যাচ্ছে, তিন জন্মসংখ্যার মেয়েদের সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির সম্পর্ক খুব ভাল হয়। শ্বশুর-শাশুড়ি এঁদের মাথায় করে রাখেন। ঝগড়া-অশান্তি খুব একটা হয় না। তালিকায় কোন কোন জন্মসংখ্যার কথা বলা রয়েছে, দেখে নিন।
আরও পড়ুন:
কোন কোন জন্মসংখ্যার জাতিকার সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির সম্পর্ক ভাল হয়?
৩: ৩ জন্মসংখ্যার জাতিকারা যে কোনও পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারেন। গুরুজনদের প্রতি এঁদের শ্রদ্ধা হয় প্রশংসনীয়। সেই কারণে ৩ জন্মসংখ্যার জাতিকাদের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে অসুবিধা হয় না। এঁদের মধুর কথা শ্বশুর-শাশুড়ির মনে জায়গা করে নেয়। তাঁরা এই জাতিকাদের নিজের সন্তানের থেকেও বেশি ভালবাসেন। সংসারজীবন সুখের হয়।
আরও পড়ুন:
৬: শ্বশুরবাড়িতে স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করতে পারদর্শী ৬ জন্মসংখ্যার জাতিকারা। এঁদের শ্বশুরবাড়ির মানুষজন বরের পরিচয়ে চেনেন না, বরং বৌমাই তাঁদের কাছে বেশি প্রিয় হয়ে ওঠেন। এঁরা বাড়ির বয়োজ্যষ্ঠদের যেমন যত্নে রাখেন, তেমনই ছোটদের সঙ্গেও খুব ভাল ভাবে মিশতে পারেন। ৬ জন্মসংখ্যার জাতিকারা ব্যক্তিগত জীবন এবং সংসারজীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার ব্যাপারে এগিয়ে।
আরও পড়ুন:
৭: শ্বশুরবাড়ির যে কোনও সিদ্ধান্তগ্রহণের দায়ভার থাকে ৭ জন্মসংখ্যার জাতিকাদের উপর। কারণ, এঁরা শ্বশুরবাড়ির সকলের ভরসার জায়গা হন। এই জন্মসংখ্যার জাতিকারা শ্বশুরবাড়ির সকলের ভাল-মন্দের খেয়াল রাখেন। সকলের কিসে ভাল হবে সেই ভেবে সব কাজ করেন। তবে নিজের ভালটাও ভুলে যান না। সেই কারণে সম্পর্কে ছেদ সৃষ্টি হয় না। উল্টে ৭ জন্মসংখ্যার জাতিকাদের এই বৈশিষ্ট্য তাঁদের শ্বশুরবাড়ির নয়নের মণি করে তোলে।