Advertisement
E-Paper

‘মানবাধিকার রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার নয়’, রাষ্ট্রপুঞ্জে ককরোচ আন্দোলন দমনের অভিযোগ খারিজ করল ভারত

রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারত জানিয়েছে, মানবাধিকার প্রসঙ্গকে কোনও দেশের উপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা বা বেছে বেছে কিছু নির্দিষ্ট দেশকে নিশানার উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:৩১
আন্দলনে উত্তাল দিল্লি।

আন্দলনে উত্তাল দিল্লি। —ফাইল চিত্র।

রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় মানবাধিকারকে রাজনৈতিক হাতিয়ার করার অপপ্রয়াসের বিরুদ্ধে সরব হল ভারত। অধিবেশনে ভারতের প্রতিনিধি, বিদেশ মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারি বরখা তাম্রাকর জানিয়েছেন, মানবাধিকার প্রসঙ্গকে কোনও দেশের উপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার করা বা বেছে বেছে কিছু নির্দিষ্ট দেশকে নিশানার উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।

বরখা বুধবার ৮১তম সাধারণ সভায় বলেন, ‘‘মানবাধিকারের ধারণাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা এবং অসম্পূর্ণ পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রকে নেতিবাচক ভাবে চিত্রায়িত করার যে কোনও প্রচেষ্টার দৃঢ় ভাবে বিরোধিতা করে ভারত।’’ বরখার ওই বক্তৃতা ৮১তম সাধারণ সভার থার্ড কমিটির অধিবেশনে রাষ্ট্রপুঞ্জের ‘শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও জমায়েতের অধিকার’ বিষয়ক বিশেষ দূত জিনা রোমেরোর গত সপ্তাহে পেশ করা রিপোর্টের সঙ্গে সম্পর্কিত। ভারতের ফার্স্ট সেক্রেটারি অনুজ স্বরূপ আগেই তা খারিজ করে দিয়েছিলেন। দিল্লি-সহ ভারতের বিভিন্ন শহরে তরুণ প্রজন্মের সাম্প্রতিক আন্দোলনে ‘সরকারি দমনপীড়নের প্রসঙ্গ’ ছিল ওই রিপোর্টে। দাবি করা হয়েছিল যে, ভারতে যুবসমাজ যখন লিঙ্গভিত্তিক সমতা, ন্যায়বিচারের মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা বা প্রতিবাদ করে, তখন তারা রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক স্তরে প্রতিহিংসা, দমনপীড়ন ও কলঙ্কলেপনের মুখোমুখি হয়।

এমনকি, ওই রিপোর্টে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র নাম করে অভীজিত দিপকেদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার হরণের অভিযোগ তোলা হয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে। অনুজ বলেন, ‘‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বেনামি এবং যাচাই না করা কিছু চিঠির ওপর ভিত্তি করে রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছে। এমন ভিত্তিহীন রিপোর্ট রাষ্ট্রপুঞ্জের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।’’ সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, ভারতীয় সংবিধানের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রতিটি নাগরিককে বাক্‌স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার দিয়েছে। ভারতে শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্ম যে কোনও বিষয়ে স্বাধীন ভাবে আন্দোলন করতে পারে এবং সরকার গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে যেমন সম্প্রতি সর্বভারতীয় পরীক্ষা আইনের সংশোধন করেছে, তেমনই আলোচনার মাধ্যমে দেশের নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে তরুণ প্রজন্মের বক্তব্যকেও গুরুত্ব দিতে সক্রিয় হয়েছে।

বরখা বুধবার জানান, ভারতের সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ শক্তিশালী বিচার ব্যবস্থা, স্বাধীন গণমাধ্যম এবং মানবাধিকার কমিশন দেশের নাগরিকদের সব ধরনের অধিকার ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করে। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘ভারত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকতে প্রস্তুত, তবে এই সহযোগিতা হতে হবে পারস্পরিক বিশ্বাস, স্বচ্ছতা এবং কোনও দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে সম্মান জানিয়ে— কোনও দু’মুখো নীতি বা পক্ষপাতদুষ্টতার আড়ালে নয়।’’

সংক্ষেপে
  • মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চেয়ে শনিবার কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিজেপি।
  • সিজেপির কর্মসূচিকে মাথায় রেখে শুক্রবার রাত থেকেই ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ।
UNGA Human Rights Gyanesh Kumar CJP Delhi Protest NEET Paper Leak Case Cockroach Janta Party SIR

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy