বিধানসভা ভোটের আগে পুলিশি ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক পঞ্জাবে। লুধিয়ানা জেলার পাঞ্জাবের খন্না এলাকার শিবসেনা নেতা এবং ধর্মগুরু মহন্ত কাশ্মীর গিরিকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
গিরির ঘরে বসানো সিসি ক্যামেরায় ঘটনাটি ধরা পড়ার পরেই তৎপর হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের নেতৃত্বাধীন আম আদমি পার্টি (আপ)-র সরকার। অভিযুক্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইনস্পেক্টর সুখদেব সিংহকে সোমবার সাসপেন্ড করা হয়েছে। রবিবার গিরির বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ। প্রথমে দাবি করা হয়েছিল যে, ওই নেতার খাটের তোশকের নীচ থেকে প্রায় ৩০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাঁকে মাদকপাচারের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কিন্তু ধর্মীয় তথা রাজনৈতিক নেতাকে মাদক মামলায় ‘ফাঁসাতে গিয়ে’ খোদ পুলিশকর্মীর ষড়যন্ত্র গোপন ক্যামেরায় ধরা পড়ার পরে ঘটনা নতুন মোড় নেয়। ভিডিয়োয় (যার সত্যতা আনন্দবাজার ডট কম যাচাই করেনি) দেখা যায়, এএসআই সুখদেব সিংহ পুলিশ-দল আসার আগে সাদা পোশাকে গিরির ঘরে প্রবেশ করছেন। এর পরে তাঁকে বিছানার তোশকের নীচে একটি প্যাকেট রাখতে দেখা যায়। শুধু তা-ই নয়, সোমবার লুধিয়ানা পুলিশের এসএসপি দর্পণ অহলুওয়ালিয়া বলেন, ‘‘মহন্ত কাশ্মীর গিরিকে সমস্ত মামলা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।’’ কিন্তু কেন তাঁর বাড়ি অভিযানে গিয়েছিল পুলিশ? দর্পণের দাবি, গিরির গাড়িচালক গুরজন্ত সিংহ ওরফে জনতাকে ৭.৫ গ্রাম হেরোইন-সহ গ্রেফতারের পর ওই অভিযান চালানো হয়েছিল।