কাজের চাপ, অনিদ্রা কিংবা স্ক্রিনের সামনে দীর্ঘক্ষণ কাজ করার ফলে চোখের নীচে কালি পড়ে যায়। চোখ খুব ক্লান্ত দেখায়। আর এই ক্লান্ত চোখে মেকআপ কখনওই ফুটে ওঠে না। বরং মুখ আরও মলিন লাগে। ক্লান্ত চোখকে যদি সতেজ দেখাতে হয়, তা হলে শুধু কাজল নয়, আইশ্যাডোও জরুরি। ক্লান্ত চোখও অনেক সতেজ হয়ে উঠবে রূপটানের তুলির টানে। কিন্তু এই আইশ্যাডো লাগাতেই যদি গোলমাল হয়ে যায়, তা হলে বিপত্তি ঘটতে পারে। আপনার চোখের রং যাতে হাস্যকর বা দৃষ্টিকটু না লাগে, তার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।
আইশ্যাডো পরার কিছু নিয়ম
প্রথমে চোখের পাতার রেখা ঘেঁষে কাজল পরুন। এর পর পেনসিল ব্রাশ নিয়ে নীচের দিকে টেনে টেনে স্মাজ করে দিন। ব্রাশে গাঢ় বাদামি আইশ্যাডো নিয়ে কাজলের উপরের রেখায় আলতো চাপ দিয়ে দিয়ে পরে নিন। এ বার একটি মোটা ব্রাশে হালকা বাদামি আইশ্যাডো মাখিয়ে উপরের দিকে টেনে টেনে স্মাজ করুন।
ক্লান্ত চোখের চামড়া কুঁচকে থাকতে পারে। তাই আইশ্যাডো লাগানোর আগে চোখের পাতায় সামান্য প্রাইমার বা একটু কনসিলার লাগিয়ে আঙুলের ডগা দিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। এটি চোখের চারপাশের কালচে ভাব দূর করবে এবং আইশ্যাডো দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন:
যদি কোনও চকমকে আইশ্যাডো লাগান, তা হলে পদ্ধতি জানতে হবে। হাল্কা রং আর গাঢ় রঙের মাঝে যদি হঠাৎ শিমার লাগিয়ে ফেলেন, তা হলে খুব চোখে পড়বে। তাই মাঝে না লাগিয়ে হালকা রঙের আইশ্যাডোর উপর শিমার ব্যবহার করুন।
চোখকে আরও বড় ও গভীর দেখাতে বেশি রঙের প্রয়োজন নেই। ব্রোঞ্জার বা হালকা ব্রাউন শেডের ব্লাশ আইশ্যাডো ব্রাশে বা আঙুলে নিয়ে চোখের পাতায় বুলিয়ে নিন। এতে চোখ বড় ও সতেজ দেখাবে।
স্মোকি সাইরেন আইজ় আপনার সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। এতে একটি গাঢ় রঙের শ্যাডো বেস তৈরি করে তার উপরে চোখের কোণ থেকে পাখির ডানার মতো কাজল টানুন। এতে চোখ আরও বেশি গভীর ও আকর্ষক দেখায়। নাটকীয় ভাব আনতে চোখের কোণে আইলাইনার ও শ্যাডো স্মাজ করলেই স্মোকি ভাব চলে আসবে।