পুজো আসতে তো আর বেশি দিন বাকি নেই। ত্বকের যত্ন নেওয়া শুরু করতে হবে এখন থেকেই। তবে বিজ্ঞাপনী চমকে ভুলে ত্বকের ধরন না বুঝে প্রসাধনী ব্যবহার করলে হিতে বিপরীত হবে। ত্বক যাঁদের খুব তৈলাক্ত এবং ব্রণ-ফুস্কুড়ির সমস্যা বেশি, তাঁদের বুঝেশুনে ত্বকের পরিচর্যা করতে হবে।আবার চোখের নীচে ফোলা ভাব বেশি থাকলেও মুখের সৌন্দর্য নষ্ট হয়। তাই এমন ভাবে ত্বকের যত্ন নিতে হবে যাতে তৈলাক্ত ভাব কমে যায়, চোখের নীচে ফোলা ভাবও দূর হয়।
ত্বক যদি খুব তৈলাক্ত হয়, সে ক্ষেত্রে অয়েল-ফ্রি ক্লিনজ়ার ব্যবহার করাই ভাল। এ ক্ষেত্রে ব্রণ-যুক্ত ত্বকে স্যালিসাইলিক অ্যাসিড, বেঞ্জয়েল পারঅক্সাইড দেওয়া ফেসওয়াশ ভাল কাজ করে। ত্বকের অতিরিক্ত তেল বা সেবাম ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
টি-ব্যাগ থেরাপি
দু'টি গ্রিন টি বা ব্ল্যাক টি-ব্যাগ গরম জলে ভিজিয়ে নিন। এরপর সেগুলিকে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করুন। এবার চোখ বন্ধ করে ১০-১৫ মিনিট টি-ব্যাগ দু'টি চোখের ওপর দিয়ে রাখুন। এতে চোখের ফোলা ভাব দূর হবে।
আরও পড়ুন:
টকদই-পুদিনা পাতার প্যাক
যাঁদের ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত, তাঁদের জন্য এই প্যাক বেশ কাজের।পুদিনা পাতা সেবামের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। অন্য দিকে, টক দই ত্বকের পিএইচের সমতা রক্ষা করে। সঙ্গে ত্বকে এনে দেয় শীতলতার ছোঁয়া। ২ টেবিল চামচ টক দইয়ের সঙ্গে একমুঠো পুদিনা পাতা মিক্সিতে বেটে নিন। এই মিশ্রণ মুখে মেখে রাখুন ১৫ থেকে ২০ মিনিট। তার পর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
শসা ও অ্যালোভেরা প্যাক
২ চামচ শসার রস ও ১ চামচ টাটক অ্যালো ভেরা জেল নিয়ে নিন। দু’টি উপকরণ মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখুন। এটি ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমাবে, কালচে দাগছোপ তুলে দেবে।
শসা-বেসনের প্যাক
এই প্যাক ভাল স্ক্রাবার হিসেবেও কাজ করবে। ২ চামচ শসার রসের সঙ্গে ১ চামচ বেসন মিশিয়ে নিতে হবে। এই প্যাকটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুব ভাল। এটি ত্বকের বাড়তি তেল শুষে নেয় এবং ত্বককে জেল্লাদার করে তোলে।