রাজস্থানের জনপ্রিয় খাবার। উত্তর ভারতেও এটি খাওয়া হয়। ঝাল ঝাল চিকেন তড়কা অথচ খেলে গ্যাস-অম্বল হবে না, ক্যালোরি বেড়ে যাওয়ার ভয়ও নেই। প্রোটিন ডায়েট যাঁরা করছেন, তাঁরাও দিব্যি খাদ্যতালিকায় রাখতে পারে ‘ধুংরি চিকেন তড়কা’। পুষ্টিবিদেরা বলছেন, ২৯ গ্রাম প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটে ভরপুর এমন তড়কা থেকে প্রায় ৩৩০ ক্যালোরি পাওয়া যাবে।
‘ধুংরি’ শব্দের অর্থ হল ধোঁয়া বা স্মোকি স্বাদের খাবার। সাধারণত এমন রান্না কয়লার আঁচেই হয়। খুব বেশি তেল বা মশলা দিয়ে এমন তড়কা রাঁধা হয় না। এতে প্রচুর পরিমাণে লিন প্রোটিন থাকে, যা পেশির শক্তি বৃদ্ধি করে। দীর্ঘক্ষণ পেট ভর্তিও রাখে। একঘেয়ে চিকেন খেয়ে অরুচি হলে, স্বাদ বদলাতে ধুংরি তড়কা বানিয়ে দেখতেই পারেন। রুটি বা পরোটার সঙ্গে দিব্যি লাগবে।
ধুংরি চিকেন তড়কা কী ভাবে বানাবেন?
উপকরণ:
২৫০ গ্রাম হাড় ছাড়া বা ছোট টুকরো করা চিকেন
১টি গোটা পেঁয়াজকুচি
১টি বড়মাপের টম্যাটোবাটা
১ চামচ আদা ও রসুনবাটা
১ চামচ কাঁচালঙ্কাকুচি
১ চামচ লেবুর রস
আধকাপ চিনাবাদাম
১০-১২টি রসুনের কোয়া
পরিমাণমতো সর্ষের তেল
আরও পড়ুন:
গুঁড়ো মশলা
১ চা-চামচ করে হলুদগুঁড়ো, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো, জিরেগুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো এবং গরম মশলা
প্রণালী:
চিকেন ম্যারিনেট করে নিন আদা-রসুনবাটা, গুঁড়ো মশলা ও লেবুর রস দিয়ে। মিনিট ১৫ রেখে কড়ায় তেল গরম করে পেঁয়াজ, আদা-রসুনবাটা ও টম্যাটো কষিয়ে নিন। এর পর ছোট টুকরো করা চিকেনগুলি দিয়ে মশলার সঙ্গে ভাল করে কষান। চিকেন সেদ্ধ হয়ে এলে পরিমাণমতো নুন ও গুঁড়ো মশলা দিয়ে ভাল করে নাড়াচাড়া করুন। চিকেন ভাজা ভাজা হয়ে এলে নামিয়ে নিন। ওই কড়াতেই সামান্য তেল দিয়ে চিনাবাদাম ও রসুনের কোয়াগুলি ভেজে নিন। তার পর সেগুলি বেটে মিহি মিশ্রণ তৈরি করে নিন। একটি বাটিতে কষিয়ে নেওয়া চিকেনের টুকরোগুলি রেখে উপরে বাদাম-রসুনবাটা, কাঁচা পেঁয়াজ, টম্যাটো ও কাঁচালঙ্কাকুচি দিন। এ বার সর্ষের তেল আলাদা গরে গরম করে নিন যতক্ষণ না ধোঁয়া ওঠে। সেই গরম তেল চিকেনের উপর ঢেলে দিন। উপর থেকে ধনেপাতাকুচি ছড়িয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন।