বিরিয়ানি, আবার নিরামিষ! নাক সিঁটকাতে পারেন বিরিয়ানিপ্রেমীরা। কিন্তু বয়স হলে অনেকেরই মাংসে তেমন রুচি থাকে না। তা ছাড়া, অনেকেই নিরামিষভোজীও হন। তাঁরা কি বিরিয়ানি খাবেন না?
পালা-পার্বণে আমিষের পাশাপাশি নিরামিষও রাঁধতে হয়। তেমনই কোনও একদিন রান্না করে দেখুন ফুলকপির বিরিয়ানি। এমনিতে হিমঘরের দৌলতে বছরভর ফুলকপি মেলে। তবে শীতের ফুলকপির স্বাদ হয় আলাদাই। রান্না সহজ। সঠিক ভাবে মশলা, নুন, ঝাল দিলে— নিরামিষ বিরিয়ানিও চেটে খাবেন সকলে।
উপকরণ
১টি বড় ফুলকপি
৩টি মাঝারি মাপের আলু
আরও পড়ুন:
৭০০ গ্রাম বাসমতী চাল
২ টেবিলচামচ বিরিয়ানি মশলা
স্বাদমতো নুন
২-৩ টেবিলচামচ ঘি
৫টি ছোট এলাচ
১টি দারচিনির টুকরো
৩-৪টি লবঙ্গ
৪-৫টি গোলমরিচ
১ টেবিলচামচ গোলাপজল
১ টেবিলচামচ কেওড়াজল
৩-৪ টেবিলচামচ দুধে ভেজানো জাফরান
এক ইঞ্চি আদাবাটা
৬-৭টি কাঁচালঙ্কাবাটা
৩টি টম্যাটোবাটা
২ চা-চামচ টক দই
প্রণালী: গরমমশলা একটি পরিষ্কার কাপড়ে বেঁধে নিন। ফুটন্ত জলে ফেলে দিন। বাসমতী চাল সেদ্ধ করে নিন সেই জলে। চাল ৯০ শতাংশ সেদ্ধ হলেই ফ্যান ঝরিয়ে নিন। চাল থালায় ছড়িয়ে দিন যাতে দলা পাকিয়ে না যায়।
বিরিয়ানি যে পাত্রে রাঁধবেন তাতে নিন সাদা তেল। ডুমো করে কাটা আলু, ফুলকপি নুন এবং হলুদ দিয়ে হালকা ভেজে তুলে রাখুন। তেলে একটু ঘি মিশিয়ে দিয়ে দিন গোটা জিরে। আদা এবং কাঁচালঙ্কাবাটা দিয়ে কষিয়ে নিন। টম্যাটোবাটা দিন। স্বাদমতো নুন, ধনেগুঁড়ো, জিরেগুঁড়ো দিন। মশলা কষে তেল ছাড়লে ফেটিয়ে রাখা টক দই দিন। তার পরে ভেজে রাখা আলু, ফুলকপি দিয়ে কষান। দিয়ে দিন বিরিয়ানি মশলা। যোগ করুন পরিমাণমতো জল। আঁচ কমিয়ে ফুটিয়ে নিন। দিন গোলাপজল, কেওড়াজল। ঝোল ঘন হয়ে এলে, উপর থেকে সেদ্ধ করা চাল দিয়ে দিন। ঘি, দুধে গুলে রাখা জাফরান, বিরিয়ানি মশলা ছড়িয়ে মুখটা ঢাকা দিয়ে মৃদু আঁচে বসিয়ে রাখুন। দমেই বিরিয়ানি হবে। খেয়াল রাখতে হবে পাত্রের নীচে যেন বিরিয়ানি ধরে না যায়। আঁচের উপর চাটু বসিয়ে তার উপর বিরিয়ানির পাত্রটি রাখুন। মোটামুটি ১০-১৫ মিনিট দমে রাখলেই হয়ে যাবে।
নিরামিষ বিরিয়ানি রায়তার সঙ্গে পরিবেশন করতে পারেন। চিকেন বা মটন চাপের সঙ্গেও তা কিন্তু খেতে ভাল লাগবে।