Advertisement
E-Paper

বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন রেস্তরাঁর পদ! পুজোর ভোজে লাচ্ছা পরোটা কিংবা পোলাওয়ের সঙ্গে জমে যাবে চিকেন মহারানি

পুজো মানেই খাওয়াদাওয়ার ধুম। রোজ রোজ রেস্তরাঁয় না গিয়ে এ বার বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন রেস্তরাঁর মতো একেবারে রাজকীয় পদ। নাম যেমন ‘মহারানি’, স্বাদও তেমনই রাজসিক।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:১৪
পোলাওয়ের সঙ্গে মুরগির কষা নয়, রেঁধে ফেলুন চিকেন মহারানি।

পোলাওয়ের সঙ্গে মুরগির কষা নয়, রেঁধে ফেলুন চিকেন মহারানি। ছবি: তেজপাতা নামক ইনস্টাগ্রামের পেজ থেকে নেওয়া।

পুজোর ক’দিন ভাল-মন্দ না খেলেই নয়। তবে রেস্তরাঁর বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে ওই সময় খাওয়াদাওয়া করতে অনেকেই ভালবাসেন না। তাই বাডিতেই বসে ভূরিভোজের আসর। পুজোয় বাড়িতে বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের লোকজন এলে বানিয়ে ফেলতে পারেন মুরগির মহারানি। উপকরণ বেশি লাগলেও বানাতে খুব বেশি ঝক্কি নেই। সময় লাগবে মাত্র ৩০ মিনিট। লাচ্ছা পরোটা হোক বা বাসন্তী পোলাও, এই পদের সঙ্গে জমে যাবে খাওয়াদাওয়া। শিখে নিন প্রণালী।

প্রণালী:

সবার আগে শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা, তারামৌরি (স্টার অ্যানিস), এলাচ, লবঙ্গ, দারচিনি, জিরে, মৌরি, ধনে, জয়িত্রি শুকনো তাওয়ায় ভেজে মিক্সিতে গুঁড়ো করে গরমমশলা বানিয়ে নিন। কাজুবাদাম বেটে রাখুন। এ বার মুরগির মাংসে আদা-রসুন বাটা, লেবুর রস, নুন আর গোলমরিচের গুঁড়ো মাখিয়ে আধ ঘণ্টা রেখে দিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি বাদামি করে ভেজে নিন। তার পর মেখে রাখা মাংস দিয়ে বেশ খানিকক্ষণ নাড়াচাড়া করুন। তার পর বানিয়ে রাখা গরমমশলা মেশান। মশলা থেকে তেল ছেড়ে এলে কাজুবাদামবাটা, চেরা কাঁচালঙ্কা দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। মিশ্রণে দিয়ে দিন ফেটানো টক দই। ভাল করে নাড়িয়ে কড়াই ঢেকে মাংস সেদ্ধ করে নিন। শেষে উপর থেকে কসুরী মেথি, মিঠা আতর, গোলাপজল, ধনেপাতাকুচি ছড়িয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। পরোটা কিংবা পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন চিকেন মহারানি।

সংক্ষেপে
  • লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
  • উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
  • সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্‌সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
Chicken Recipe Bengali Recipe

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy