Advertisement
E-Paper

পুজোয় বাড়িতেই রেস্তোরাঁর স্বাদ! পোলাওয়ের সঙ্গে জমে যাবে ঝাল-মিষ্টি চিংড়ির রেজালা, রইল প্রণালী

অষ্টমী বা নবমীর দুপুরে বাইরে না বেরিয়ে এবার বাড়িতেই জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া করবেন ভাবছেন? পোলাওয়ের সঙ্গে যদি থাকে ঝাল-মিষ্টি চিংড়ির রেজ়ালা, তাহলে আর রেস্তরাঁয় যাওয়ার দরকার কী!

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৫৭
মালাইকারি নয়, এ বার রেঁধে ফেলুন চিংড়ি দিয়ে রেজ়ালা।

মালাইকারি নয়, এ বার রেঁধে ফেলুন চিংড়ি দিয়ে রেজ়ালা। ছবি: সংগৃহীত।

দুর্গাপুজো মানেই ভালমন্দ খাওয়াদাওয়া। তবে রেস্তরাঁর লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ভূরিভোজ সারতে অনেকেই পছন্দ করেন না। তাই পুজোর সময়ে বাড়িতেই চলে রান্নাবান্নার পর্ব। তবে পুজোর ক’দিন হেঁশেলে খুব বেশি সময় মোটেও নষ্ট করা যাবে না। চটজলদি বানিয়ে ফেলা যায়, এমন রান্নার খোঁজ করলে বানিয়ে ফেলুন চিংড়ির রেজ়ালা! মালাইকারির থেকে স্বাদ একেবারে আলাদা। মিষ্টি মিষ্টি পোলাও কিংবা ফ্রায়েড রাইসের সঙ্গে চিংড়ির রেজ়ালা খেতে লাগবে বেশ। আর সময় লাগবে মাত্র ১৫ মিনিট।

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

প্রণালী:

প্রথমে চিংড়িমাছগুলিকে নুন মাখিয়ে হালকা করে ভেজে তুলে রাখুন। সেদ্ধ করে রাখা পেঁয়াজ, আদা, রসুন, কাঁচালঙ্কা, খোসা ছাড়ানো ভেজানো কাঠবাদাম আর পোস্ত খুব মিহি করে মিক্সিতে বেটে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন। মিশ্রণে মিশিয়ে দিন ফেটানো টক দই, ধনেগুঁড়ো, জিরেগুঁড়ো আর স্বাদমতো নুন-চিনি। কড়াইয়ে গোটা গরমমশলা ফোড়ন দিন। বানিয়ে রাখা বাটামশলার মিশ্রণ দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। মিশ্রণ থেকে তেল ছেড়ে এলে অল্প গরম জল আর মাছগুলি দিয়ে মিনিট পাঁচেক ফুটিয়ে নিন। অন্য একটি ছোট কড়াইয়ে ঘি গরম করে তাতে শুকনোলঙ্কা, মাখানা আর রিং করে কেটে রাখা পেঁয়াজ হালকা করে ভেজে নিন। মিশ্রণটি দিয়ে দিন চিংড়ির ঝোলে। শেষে কেওড়াজল আর গোলাপজল দিয়ে মিনিট দুয়েক ঢেকে রান্না করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে চিংড়ির রেজ়ালা। বাঙালি কায়দায় তৈরি ফ্রায়েড রাইস হোক বা বাসন্তী পোলাও, চিংড়ির রেজ়ালার সঙ্গে জমবে দারুণ।

সংক্ষেপে
  • লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
  • উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
  • সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্‌সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
Prawn Recipe Fish Recipe

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy