পিক্সল ১১ প্রো, পিক্সল ১১ প্রো এক্সএল এবং পিক্সল ১১ প্রো ফোল্ড মডেল কিনতে পারবেন গ্রাহক। এই সিরিজ়ের কোনটা সেরা আকর্ষণ, তারই হদিস দিল আনন্দবাজার ডট কম।
মার্কিন টেক জায়ান্টটির তৈরি ‘ফ্ল্যাগশিপ’ সিরিজ়টির ফোনগুলির মডেলভেদে বেশ কিছু তারতম্য রয়েছে। তবে ন্যূনতম বৈশিষ্ট্য হিসাবে ৬.৩ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস অ্যামোলেড ডিসপ্লে, ১২০ হার্টজ়ের স্ক্রিন রিফ্রেশ রেট, গুগ্লের টেনসর জি৬ প্রসেসার, ১২ জিবি এলপিডিডিআর৫এক্স র্যাম এবং ৫১২ জিবি ইন্টারন্যাল স্টোরেজের কথা বলা যেতে পারে।
আরও পড়ুন:
পিক্সল ১১ মডেলের থেকে বাকি তিনটি স্মার্টফোন আরও বেশি উন্নত। এই সিরিজ়ের প্রতিটা হ্যান্ডসেটের পিঠের দিকে আছে ট্রিপল-ক্যামেরা। এর প্রাথমিক সেন্সরটি ৪৮ মেগাপিক্সলের। এ ছাড়া একটি ১৩ মেগাপিক্সলের আল্ট্রা-ওয়াইড অ্যাঙ্গলে লেন্স এবং একটি ১০.৮ মেগাপিক্সলের ফাইভ এক্স টেলিফোটো লেন্স পাবেন ব্যবহারকারী।
পিক্সল ১১ সিরিজ়ের মডেলে ১০.৫ মেগাপিক্সলের সেল্ফি ক্যামেরা দিচ্ছে গুগ্ল। মার্কিন টেক জায়ান্টটি জানিয়েছে, আগের তুলনায় এ বারের লেন্সগুলি অন্তত ৪০ শতাংশ কম পুরু। এর জেরে ওজনের দিক থেকেও কিছুটা হালকা হয়েছে এই স্মার্টফোন।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি, র্যাম ও স্টোরেজের মূল্যবৃদ্ধির জেরে আকাশছোঁয়া হয়ে গিয়েছে স্মার্টফোনের দাম। এর আঁচ গিয়ে পড়েছে পিক্সল ১১ সিরিজ়ের উপর। সে কথা স্বীকার করে নিয়েছেন খোদ গুগ্লের ভাইস প্রেসিডেন্ট। আর তাই ভারতের বাজারে ৯০,০০০ থেকে ১.১৫ লাখ টাকার মধ্যে এই সমস্ত ফ্ল্যাগশিপ মডেল। তবে ক্রেডিট কার্ডের কেনাকাটায় কিছু ছাড়ের বন্দোবস্ত করেছে একাধিক ব্যাঙ্ক।