Advertisement
E-Paper

ইমেল পাঠানো থেকে আর্থিক লেনদেন, সবই করবে এআই এজেন্ট! মেটার নতুন চ্যাটবটে তথ্যের অপব্যবহারের আশঙ্কা

নতুন ব্যক্তিগত এআই এজেন্টটিকে সাধারণ চ্যাটবটের তুলনায় আরও কর্মক্ষম করে তৈরি করেছে মেটা। সাধারণ এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট মূলত গ্রাহকের বা ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তর দেয়। সেখানে মিউজ় আরও একধাপ এগিয়ে ব্যবহারকারীর বিভিন্ন কাজও সেরে ফেলতে পারবে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯:১৫

ছবি: সংগৃহীত।

ব্যক্তিগত কাজে এ বার ঢালাও ব্যবহার হবে কৃত্রিম মেধা। শুধুমাত্র নির্দেশমাফিক সওয়াল জবাবে সাহায্য নয়। বেশ কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তিগত কাজও সেরে দেবে এই এআই এজেন্ট। সেই লক্ষ্যে সম্প্রতি মেটা ‘মিউজ়’ নামে একটি নতুন এআই এজেন্ট চালু করেছেন ধনকুবের মার্কিন শিল্পপতি মার্ক জ়ুকেরবার্গ। বিভিন্ন কাজ নিজে থেকে সহায়ক বটটি করে দেবে বলে জানা গিয়েছে।

পাশাপাশি, দীর্ঘমেয়াদি কোনও লক্ষ্য পূরণে ব্যবহারকারীকে সাহায্য করা এবং একাধিক অ্যাপের মধ্যে সমন্বয় করে কাজ করার জন্যও বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়েছে এই মিউজ়কে। প্রাথমিক ভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আইওএস, অ্যান্ড্রয়েড এবং ওয়েব প্ল্যাটফর্মে এই পরিষেবা চালু করেছেন জ়ুকেরবার্গ। ভবিষ্যতে মেটার এআই-চালিত স্মার্ট গ্লাসেও মিউজ়কে যুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

নতুন ব্যক্তিগত এআই এজেন্টটিকে সাধারণ চ্যাটবটের তুলনায় অনেক বেশি কর্মক্ষম হিসাবে গড়ে তুলেছে মেটা। সাধারণ এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট গ্রাহক বা ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তর দেয়। সেখানে মিউজ আরও একধাপ এগিয়ে ব্যবহারকারীর বিভিন্ন কাজও সেরে ফেলতে পারবে। ফলে এর সাহায্যে ভ্রমণের টিকিট বা হোটেল বুকিং, অনলাইনে কেনাকাটা, বিভিন্ন ফর্ম পূরণ, প্রকল্প পরিচালনা, ইমেল পাঠানোর মতো কাজ সারতে পারবেন গ্রাহক।

কৃত্রিম মেধা এজেন্টটি ‘মিউজ সিকিওর ভিএম’ নামে একটি বিশেষ ক্লাউড-ভিত্তিক ভার্চুয়াল মেশিনে কাজ করে। এর ফলে ব্যবহারকারী অ্যাপটি বন্ধ করে দিলেও মিউজ় নিজের মতো করে নির্দিষ্ট কাজ চালিয়ে যেতে পারে। মেটার দাবি, এই প্রযুক্তি তৈরির সময় ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা, নিরাপত্তা এবং নিজের তথ্য ও কাজের ওপর নিয়ন্ত্রণ—এই তিনটি বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

যদিও মেটার এই দাবি নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা মত উঠে আসতে শুরু করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দুনিয়ায়। মিউজ ব্যবহারকারীদের সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্যের সুলুকসন্ধান পেলে সেই তথ্যের অপব্যবহার হতে পারে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মেটার মিউজ এআই এজেন্টটি সংস্থার ভেতরে ‘হ্যাচ’ নামে পরিচিত। এটি সংস্থা জ়ুকেরবার্গের একটি বড় পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মেটাকর্তার লক্ষ্য , প্রতিদিন মেটার বিভিন্ন পরিষেবা ব্যবহার করা কোটি কোটি মানুষকে এমন একটি ‘ব্যক্তিগত অতি-বুদ্ধিমান’ এআই ব্যবস্থা দেওয়া। যেটি তাঁদের ব্যক্তিগত প্রয়োজন বুঝে নানা কাজে সাহায্য করতে পারবে।

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy