দ্বিতীয় বার বিয়ে করতে চলেছেন এক তরুণ। বিয়ের আসরে উপস্থিত কনে-সহ অন্য আত্মীয়স্বজনেরা। বিয়ের আচার শুরু করার ঠিক আগের মুহূর্তে কনের পাশ থেকে উঠে গেলেন বরবেশী তরুণ। মাথা থেকে টোপরের মতো বস্তুটি খুলেও ফেলতে দেখা গেল তাঁকে। বরের ঠিক পিছনেই বসেছিল এক নাবালিকা। তরুণ উঠে তার হাত ধরে কিছু জানতে চাইলেন। নাবালিকা ঘাড় নে়ড়ে বার বার সম্মতি জানায়। সমাজমাধ্যমে এই ঘটনাটির ভিডিয়ো ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিয়োর ক্যাপশনে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার এক তরুণ দ্বিতীয় বার বিয়ে করার আগে কন্যার থেকে শেষ বারের মতো অনুমতি চাইছেন। মন ছুঁয়ে যাওয়া সেই দৃশ্যটির ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
ইন্দোনেশিয়ার সেই ভাইরাল ভিডিয়োয় এক গভীর আবেগঘন মুহূর্ত ধরা পড়েছে। বিশ্ব জুড়ে মানুষের মন জয় করে নিয়েছে এটি। ভিডিয়োয় এক বাবা তাঁর সঙ্গীকে বিয়ে করার আগে শেষ বারের মতো মেয়ের কাছে অনুমতি চাইতে নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান থামিয়ে দেন। উঠে এসে কন্যাসন্তানের হাত ধরে জানতে চান যে এই বিয়েতে তার অনুমতি আছে কি না। নাবালিকা একাধিক বার ঘাড় নেড়ে বাবার কথায় সায় দেয়। কন্যার অনুমতি পেতেই তাকে জড়িয়ে ধরে আদরে ও আশীর্বাদে ভরিয়ে দেন তরুণ। সেই ভিডিয়োটি ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে।
ভিডিয়োটি ইনস্টাগ্রামে ‘দ্যডিম্যাট্রিক্স’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ইতিমধ্যেই কয়েক লক্ষ বার দেখা হয়েছে। প্রায় দেড় লক্ষ নেটাগরিক ভালবাসার চিহ্ন এঁকে দিয়েছেন তাতে। বাবার এ-হেন চিন্তাভাবনাকে অভিভাবকত্বের এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন নেটাগরিকেরা। তাঁদের মতে, সন্তানের অনুভূতি ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত বাবা-মায়ের। সেই কাজটিই করে দেখিয়েছেন তরুণ। সন্তানের অনুভূতিকে সম্মান করাই যে সুস্থ সম্পর্কের ভিত্তি, তা এই ঘটনায় স্পষ্ট। আবার অনেক নেটাগরিকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে, যদি নাবালিকা অনুমতি না দিত তা হলে কি এই বিয়ে করতে রাজি হতেন না তরুণ?