আলিগড়ে সোনার হার ছিনতাইয়ে এক অভিযুক্তের সন্ধানে নয়ডার এক আবাসনে হানা দিয়েছিল পুলিশ। পুলিশ দেখেই দৌড় দিয়েছিলেন ছিনতাইয়ে অভিযুক্ত ডেলিভারি কর্মী। ধরা দেওয়ার আগে পুলিশ ও আবাসনের নিরাপত্তাকর্মীদের রীতিমতো নাকে দড়ি দিয়ে ছোটালেন অভিযুক্ত তরুণ। নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে ধাওয়া করে কাবু করার পর আলিগড় পুলিশের হাতে তুলে দেন। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা ভাইরাল হয়েছে। যদিও এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি পুলিশের দলটিকে দেখামাত্রই পালানোর চেষ্টা করতে থাকেন। গ্রেফতারি এড়াতে আবাসনের চত্বরে দৌড়োতে থাকেন তিনি। আবাসনে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, অভিযুক্ত তরুণ গোটা কমপ্লেক্স জুড়ে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন। এক নিরাপত্তারক্ষী তাঁর পিছু ধাওয়া করেন। মুহূর্তের মধ্যেই আরও কয়েক জন রক্ষী তাতে যোগ দেন। বেশ কয়েক জন নিরাপত্তারক্ষী চার দিক থেকে ছুটে এসে অভিযুক্তকে ঘিরে ফেলেন। অভিযুক্তকে মাটিতে ফেলে কাবু করে ফেলেন তাঁরা। তার পর তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেন আবাসনের নিরাপত্তাকর্মীরা।
সাংবাদিক সচিন গুপ্ত তাঁর এক্স হ্যান্ডলে ভিডিয়োটি পোস্ট করার পর চোর-পুলিশের এই ভিডিয়োটি বহু বার দেখা হয়েছে সমাজমাধ্যমে। ভিডিয়োটি দেখার পর প্রচুর মানুষ পুলিশের তুলনায় আবাসনের নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতার প্রশংসা করেছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত ব্যক্তি এক জন ডেলিভারি কর্মী। একটি ডেলিভারি দিতে তিনি নয়ডার পূর্বাঞ্চল রয়্যাল সিটি সোসাইটিতে এসেছিলেন। আলিগড় থেকে তদন্তকারী আধিকারিকেরা তাঁর অবস্থান শনাক্ত করেন। তরুণকে গ্রেফতার করতে তাঁরা আবাসনে হানা দেন। তরুণকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করছে পুলিশ।