Advertisement
E-Paper

অসুস্থতার দোহাই, বাড়ি থেকে কাজ করার নামে সিঙ্গাপুর গেলেন তরুণ! সত্যি জানার পর চাকরি কাড়ল সংস্থা

অস্ট্রেলিয়ার একটি মুদ্রা বিনিময় সংস্থায় কাজ করতেন চার্লস গ্রাহাম। তাঁর দাবি, তিনি নাকি ২০২৫ সালে এক বছরের জন্য সিঙ্গাপুর থেকে কাজ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, সংস্থা তাঁকে সেই সুযোগ দেয়নি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ০৬:৩২
man

ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

বাড়ি থেকে কাজ করার কথা বলে সিঙ্গাপুর চলে গেলেন তরুণ! অফিসে চোখের সমস্যা আছে জানিয়ে তিন মাসের জন্য বাড়িতে বসে কাজ করার অনুমতি নিয়েছিলেন তরুণ। কিন্তু, তাঁর ল্যাপটপের লোকেশন খুঁজে বার করতেই সামনে এল অন্য গল্প। দেখা গেল, তরুণ নিজের বাড়িতে নয়, সিঙ্গাপুরের একটি হোটেলে বসে কাজ করছেন। এতেই রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন তরুণের ঊর্ধ্বতন আধিকারিক। কাজ থেকে বরখাস্ত করেন তরুণকে। অদ্ভুত এই কাজ হারানোর খবর ইতিমধ্যে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, চাকরিহারা সেই তরুণের নাম চার্লস গ্রাহাম। তিনি অস্ট্রেলিয়ার একটি মুদ্রা বিনিময় সংস্থায় কাজ করতেন। গ্রাহামের দাবি, তিনি নাকি ২০২৫ সালে এক বছরের জন্য সিঙ্গাপুর থেকে কাজ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তরুণের সংস্থা তাঁকে সেই সুযোগ দেয়নি। অফিসের তরফে জানানো হয়েছিল, তাঁদের সংস্থা অস্ট্রেলিয়ার এবং সিঙ্গাপুর থেকে কাজ করার লাইসেন্স তাদের নেই। সেই কারণে তরুণকে সেখানে থেকে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

এর পর তরুণ অফিসে একটি মেডিকেল সার্টিফিকেট নিয়ে হাজির হন। সেখানে লেখা ছিল তরুণের নাকি চোখের সমস্যা রয়েছে। তরুণ জানান, তিনি তিন মাসের জন্য বাড়ি থেকে কাজ করতে চান। এর পরই ঘটে বিপত্তি। তিন মাস পর যে দিন তরুণের পুনরায় অফিসে ফিরে কাজে যোগ দেওয়ার কথা ছিল, তরুণ সেই দিন অফিসে আসেন না। সংস্থার তরফে এ বার তরুণের ল্যাপটপের লোকেশন ট্র্যাক করা হয়। তাতে দেখা যায়, তরুণ সিঙ্গাপুরে রয়েছেন। তরুণের ম্যানেজার এতে বেজায় চটে যান। তিনি তরুণকে কাজ থেকে ছাটাই করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বসেন।

তরুণ জানান, তাঁর সঙ্গী অসুস্থ ছিলেন। তাঁর ফিরে আসার আগের সপ্তাহান্তেই সেই সঙ্গী অসুস্থ হয়ে পড়েন বলেও দাবি করেন তিনি। সেই কারণেই বিমানের টিকিট বাতিল করতে বাধ্য হন। কাজের বাইরে ম্যানেজারকে বিরক্ত করতে চাননি বলে তরুণ সে সম্বন্ধে জানিয়ে উঠতেও পারেননি বলে দাবি। তরুণ সিঙ্গাপুরে থাকার বিষয়টি কেন লুকিয়েছেন তা জানতে চাইলে তিনি জানান, কাজের এত চাপ ছিল বলে আর ম্যানেজারকে সে বিষয়ে জানিয়ে উঠতে পারেননি। তবে তরুণের এ সমস্ত কথা কানে তোলেনি সংস্থা। তরুণের চাকরি কেড়ে নেওয়ার বিষয়েই স্থির থেকেছে তারা।

খবরটি ঘিরে সমাজমাধ্যমে হইহই পড়ে গিয়েছে। নেটপাড়া এ বিষয়ে দ্বিধাবিভক্ত। একদল নেটাগরিক তরুণের কীর্তির নিন্দা করেছেন। তাঁদের মতে, তরুণের সংস্থাকে এক বার অন্তত সত্যিটা জানানো উচিত ছিল। অন্য দিকে, কিছু নেটাগরিক মনে করছেন, তরুণকে চাকরি হারানোর মতো কঠিন শাস্তি না দিলেও পারত সংস্থা।

Bizarre Bizarre Incident Australia Singapore

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy