গুজরাতের একটি গুদামে ঢুকে প্রায় ১ কোটি টাকার বৈদ্যুতিন গ্যাজেট চুরি করে পালাল চোরেরা। অভিযোগ, তিন-চার জন ব্যক্তি গুদামের পিছনের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে। তার পর অবাধে লুটপাট চলে। তাদের যাতে শনাক্ত করা না যায়, তা নিশ্চিত করতে লুটেরারা সকলেই গামছা দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছিল।
পরে, সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তারক্ষী যখন গুদামের পিছন দিকে যান, দেখতে পান যে সেখানকার দরজাটি ভাঙা। এর পরই তিনি চুরির ঘটনাটি আবিষ্কার করেন। এই লুটপাটের একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিয়োটির সত্যতা যদিও যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, গুজরাতের অহমদাবাদের সানথাল সার্কেলের নাভাপুরা গ্রামে অবস্থিত এক নামী সংস্থার গুদামে ঘটনাটি ঘটেছে। নিরাপত্তারক্ষী গুদামের পিছনের দরজা ভাঙা দেখেই অঘটনের আশঙ্কা করেন। দরজার কাছে কয়েকটি বাক্সও পড়ে থাকতে দেখেন। তৎক্ষণাৎ গুদামের ম্যানেজারকে খবর দেন তিনি। ম্যানেজার গুদামে পৌঁছে দেখেন বড় অঙ্কের বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম চুরি গিয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে আনুমানিক ৪০টি আইফোন ১৭, ৩০টি আইফোন ১৬, ১৫টি ডেল ল্যাপটপ, ১১টি এইচপি ল্যাপটপ, ৩৬টি অ্যাপ্লের ঘড়ি, ২০টি আইপ্যাড প্রভৃতি। বেশ কয়েকটি ল্যাপটপ ব্যাগও চুরি গিয়েছে। এই ঘটনায় সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি টাকার বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম খোয়া গিয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গুজরাত পুলিশ মনে করছে, চুরি করতে আসা লুটেরারা সম্ভবত আগে থেকেই গুদামের কোথায় কী রাখা হয়, সে সম্বন্ধে তথ্য সংগ্রহ করে রেখেছিল। অনুমান করা হচ্ছে, গুদামের পিছনে থাকা বড় মাঠ ধরে চোরের দল তাদের কাজ সারতে আসে। এর পর তারা পিছনের দরজা ভেঙে গুদামের ভিতর ঢোকে। পুলিশ মনে করছে, গুদামের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কেও অবগত ছিল চোরের দল। ওই ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে গুজরাত পুলিশ।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, তাকের উপর থরে থরে সাজানো বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম। সেগুলির সামনে দাঁড়িয়ে দুই ব্যক্তি। দু’জনেরই মুখ এবং মাথা গামছা দিয়ে ঢাকা। কেবল তাদের চোখগুলিই দেখা যাচ্ছে। এক ব্যক্তিকে হাতে অনেকগুলি বাক্স নিয়ে গুদাম থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা গেল। খানিক দূরে অপর এক একজনকে তাক থেকে বৈদ্যুতিন সরঞ্জামের বাক্স নামাতে দেখা গেল। পর্যায়ক্রমে এই একই ঘটনা ঘটে চলল। এ ভাবেই একের পর তাক সাফ করে দিল চোরের দল।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
‘গুজরাতসমাচার’ নামের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রচুর নেটাগরিকের নজর কেড়েছে ভিডিয়োটি। প্রতিক্রিয়া এবং মন্তব্যের ঝড় উঠেছে।