কর্মক্ষেত্রে প্রায়ই ঊর্ধ্বতনের মেজাজ-মর্জি অনুসারে চলতে গিয়ে নানা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। বিশেষ করে বেসরকারি সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে তো এই ধরনের সমস্যা লেগেই থাকে। সম্প্রতি এমনই একটি অভিজ্ঞতার কথা সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন এক কর্মী।
পেশাদারদের সমাজমাধ্যম রেডিটের ‘ওয়ার্কপ্রবলেমস’ নামের অ্যাকাউন্টে ঘটনাটি সম্পর্কে লিখেছেন পোস্টদাতা। যদিও ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, প্রতি দিন তাঁর কাজের সময় শেষ হওয়ার মিনিট ১০-১৫ আগে একটি নতুন কাজ ধরান তাঁর ঊর্ধ্বতন। এর পর বলেন যে কাজটি শেষ করতে খুব বেশি ক্ষণ সময় লাগবে না। তবে আদতে তা হয় না। নতুন করে দেওয়া কাজটি শেষ করতে অনেকটা সময় ব্যয় হয়ে যায় বলে দাবি করেছেন ওই কর্মী।
আরও পড়ুন:
তাঁর আরও অভিযোগ, কাজটি যদি তিনি সেই দিনই শেষ না করেন, তবে কৈফিয়ত চান তাঁর ঊর্ধ্বতন। এর ফলে ছুটির পরে যে সব পরিকল্পনা ছিল, সে সবই বানচাল হয়ে যায় বলে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন পোস্টদাতা। এই কারণে ব্যক্তিগত জীবনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, এমনটাও জানিয়েছেন তিনি। পোস্টদাতার দাবি, কখনও-সখনও তিনি বলতে চেষ্টা করেছেন যে কাজটি পরের দিন করবেন। তবে, কোনও ফল হয়নি তাতে। এই বাড়তি সময় থাকার জন্য বেশি টাকাও পান না বলে জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
পোস্টের শেষে ওই কর্মী লিখেছেন যে তিনি চান না যে তাঁকে কেউ অলস মনে করুক বা কাজের ক্ষেত্রে তিনি পূর্ণ সহযোগিতা করছেন না, এমন মনে করুক। তিনি তাঁর কাজটি ভালবেসেই করেন। কিন্তু এই বিষয়টিতে তাঁর মধ্যে এক ধরনের হতাশা সৃষ্টি করছে। কী ভাবে সব দিক বজায় রেখে বিষয়টির সমাধান করা যাবে, সে সম্পর্কে পরামর্শ চেয়েছেন পোস্টদাতা।
Boss keeps dumping new tasks right before I clock out, how do I set boundaries nicely?
by u/YakNo6167 in Workproblems
পোস্টটি বহু বার দেখা হয়েছে। নানা রকম পরামর্শ দিয়েছেন নেটাগরিকেরা। কেউ কেউ কাজ সুষ্ঠু ভাবে তাড়াতাড়ি শেষ করার নানা উপায় বাতলেছেন। আবার কারও পরামর্শ, এ বিষয়ে বসের সঙ্গে স্পষ্ট ভাবে কথা বলা উচিত। নইলে এই সমস্যা কোনও দিনই শেষ হবে না। পোস্টদাতার বস্ সম্পর্কে ক্ষোভও জানিয়েছে নেটপাড়া। ক্ষমতার এমন অপব্যবহারের নিন্দাও হয়েছে।