দুই ছেলেকে নিয়ে জাপানের উচ্চতম পর্বত আরোহণে গিয়েছিলেন বাবা। বেশ খানিকটা ওঠার পর ছোট ছেলে আর চড়তে চাইল না। বাবাকে জানায় যে সে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। ছোট ছেলের কথা শুনে রেগে গেলেন বাবা। নিলেন এক চরম সিদ্ধান্ত। সেই সিদ্ধান্ত ঘিরে তোলপার নেটপাড়া। বিপুল পরিমাণে ভাইরাল হয়েছে সেই খবর।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার। ৪৮ বছর বয়সি তরুণ তাঁর দুই ছেলেকে নিয়ে মাউন্ট ফুজ়ির পথে রওনা দেন। তাদের মধ্যে ছোট ছেলেটির বয়স মাত্র সাত বছর। ছোট্ট পায়ে জাপানের উচ্চতম পর্বত আরোহণে গিয়ে হাঁপিয়ে গেল সে। আনুমানিক দু’হাজার ৪৯০ মিটার পাথুরে পথ আরোহণের পর নাবালক বাবাকে জানায় যে তার পা ব্যথা করছে। আর হাঁটতে পারছে না সে।
আরও পড়ুন:
ছোট ছেলের মুখে থামার কথা শুনে পাত্তা দেন না বাবা। উল্টে বড় ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে তিনি শৃঙ্গের পথে এগিয়ে চলেন। খুদেকে বলেন সেখানে বসে তাঁদের জন্য অপেক্ষা করতে। বাবার কথা মেনে নাবালক তেমনটাই করে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ নাবালককে পাহাড়ে একা ফেলে এগিয়ে যান তাঁর বাবা এবং দাদা। কিছু ক্ষণ পরই ঝেঁপে বৃষ্টি নামে। এক দোকানদার দেখেন পাহাড়ে বেঞ্চে বৃষ্টির মধ্যে একা বসে রয়েছে এক নাবালক। তিনি নাবালককে নিজের দোকানে নিয়ে যান।
আরও পড়ুন:
নাবালকের মুখ থেকে তার বাবার কীর্তির কথা শুনে রেগে যান দোকানদার। তৎক্ষণাৎ পুলিশকে ফোন করেন তিনি। এর পর পুলিশ নাবালকের বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে। পুলিশ তরুণের কাজের নিন্দা করে। পাহাড়ি পথে নাবালককে একা ছেড়ে গিয়ে যে তরুণ কী বড় ভুল করেছেন তা জানানো হয়। নিজের ভুল স্বীকার করে নেন তরুণ। জানান, সেই মুহূর্তে আর কী করা উচিত বুঝে উঠতে পারেননি তিনি। এর পর পুলিশ নাবালককে তার বাবার কাছে ফিরিয়ে দেয়। তবে ভবিষ্যতে যেন তরুণ এমন ঘটনা আর না ঘটান সে বিষয়ে সতর্ক করে।
আরও পড়ুন:
জাপানি তরুণের সেই অদ্ভুত কাণ্ডের ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। বিপুল পরিমাণে ভাইরাল হয়েছে ঘটনাটি। নেটপাড়ায় ছি ছি রব উঠেছে। অধিকাংশ নেটাগরিক নাবালকের বাবার তীব্র নিন্দা করেছেন।