নামী তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় চাকরির আবেদন করেছিলেন এক পাকিস্তানি প্রযুক্তিবিদ। কর্মস্থলে সশরীরে না গিয়েও দূরে থেকেই যাতে কাজ করা যায় (রিমোট), এমনটাই আর্জি ছিল তাঁর। কিন্তু ঘটল এক অদ্ভুত ঘটনা। ভারতের এক সংস্থায় কাজ মিলল তাঁর। তাও আবার কর্মস্থলে গিয়ে (অনসাইট)।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি এমনই একটি ঘটনা হইচই ফেলে দিয়েছে সমাজমাধ্যমে। সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের বাসিন্দা ওই তরুণ। নাম সইফ উর রহমান। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, তথ্যপ্রযুক্তি (ডেটা ইঞ্জিনিয়ারিং) এবং কৃত্রিম মেধা সংক্রান্ত সংস্থা ইনোডেটায় চাকরির আবেদন করেন তিনি। প্রথমে এই গোলমালের কাণ্ডটি বুঝতেই পারেননি প্রযুক্তিবিদ। সংস্থায় নিজের সম্পূর্ণ নথি জমা দেওয়ার সময় বিষয়টি বোধগম্য হয় তাঁর, এমনটাই জানা গিয়েছে। ব্যাপার বুঝে মাথায় হাত পড়ে তরুণের। যদিও ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
সইফ জানিয়েছেন, সংস্থার তরফ থেকে পাঠানো ইমেলে তিনি দেখতে পান তাঁর কর্মস্থল হতে চলেছে ভারতের রাজধানী দিল্লি। এই অপ্রত্যাশিত ভুল বোঝাবুঝি তাঁকে একেবারে হতবাক করে দেয়। তাঁর ধারণা, অনসাইট এবং রিমোট উভয় ধরনের প্রার্থীদের আবেদনগুলিকে গুলিয়ে ফেলেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। সেই কারণেই এই অবস্থা। শেষমেশ চাকরিটি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তরুণ।
আরও পড়ুন:
১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ইনোডেটা ডেটা লেবেলিং, মডেল প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন এবং নিরাপত্তা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রযুক্তি সংস্থাগুলিকে এআই সিস্টেম তৈরি ও উন্নত করতে সহায়তা করে। সম্প্রতি কোনও নোটিস ছাড়াই বিপুল সংখ্যক কর্মীছাঁটাই করেছে এই সংস্থাটি। ভারতের প্রায় ৫৫০ কর্মী কাজ হারিয়েছেন। এর ফলে সমালোচনার মুখে পড়েছে সংস্থাটি। সেই আবহে এমন ঘটনা বিতর্ক আরও উস্কে দিয়েছে।