নির্মীয়মান বহুতল মানেই যত্রতত্র ছড়িয়ে পড়ে থাকা জিনিসপত্র। চারপাশ ঢেকে থাকে ধুলোর চাদরে। এমন সব নির্মীয়মান ভবনে গেলে চোখকান খোলা রেখে চলা আবশ্যিক। কারণ সেখানে পদে পদে বিপদ। আর সেই বিপদের মুখেই পড়লেন এক তরুণ। মোবাইলের পর্দায় চোখ রেখে নির্মীয়মাণ বহুতলে হাঁটছিলেন তিনি। বেখেয়ালে অর্ধেক তৈরি হওয়া মেঝে থেকে সোজা নীচে পড়ে গেলেন তিনি। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে তা-ও সেই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, হাসিমুখে নির্মীয়মাণ বহুতলের সিঁড়ি দিয়ে উঠে আসছেন এক তরুণ। আশেপাশে নজর নেই তাঁর। নিজের খেয়ালে হেঁটে চলেছেন। সিঁড়ি থেকে উঠে মেঝেতে পা রাখতেই পকেট থেকে মোবাইল বার করেন তিনি। সেটিতে চোখ আটকে এগিয়ে যান। মেঝের মাঝখানে আয়তাকার অংশ জুড়ে ছিল ফাঁকা জায়গা। হয়তো কোনও গৃহসজ্জা করার জন্য অংশটি ফাঁকা রাখা হয়েছিল। তবে সে দিকে চোখ যায়নি তরুণের। মোবাইল দেখতে দেখতে সেখানেই পা বাড়ান তরুণ। আর শূন্যে পা রেখে সোজা নীচে পড়ে যান তিনি। নির্মীয়মান বহুতলের কর্মীরাও সেই ঘটনায় হকচকিয়ে যান। এক জন তড়িঘড়ি তাঁকে তোলার জন্য নীচে ছোটেন। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তরুণ সেই নির্মীয়মাণ বহুতলে ফ্ল্যাট দেখতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ঘটনাটি ঘটে। মেঝের মাঝখানের অংশে কাচ লাগানো হবে বলে ফাঁকা রাখা হয়েছিল। সেখান থেকেই প়ড়ে যান তিনি। এই ঘটনায় তরুণ গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। তাঁর শরীরের বেশ কয়েকটি হাড় ভেঙে গিয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আরও পড়ুন:
‘উল্টিমাহোরায়েনস্ক’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ১৪ হাজার বার ভিডিয়োটি দেখে ফেলা হয়েছে। প্রতিক্রিয়া এবং মন্তব্যের ঝড় উঠেছে। নেটাগরিকেরা তরুণের কাণ্ডকে ‘বোকামি’র তকমা দিয়েছেন। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘মোবাইলের নেশাই সব নষ্টের মূল।’’