জলের মধ্যে পা কামড়ে ধরেছে কুমির! যন্ত্রণায় চিৎকার করছেন যুবক। ছটফট করছেন কুমিরের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য। সমাজমাধ্যমে তেমনই একটি ভয়াবহ ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে, যা দেখে শিউরে উঠছে নেটপাড়া। দাবি করা হচ্ছে যে, একটি কুমির যুবকের পা কামড়ে ধরলে যুবকটিকে যন্ত্রণায় কাতরাতে এবং নিজেকে ছাড়ানোর জন্য ধস্তাধস্তি করতে দেখা যায়। ভিডিয়োর কোনও কোনও অংশে জলে লাল রঙের আভা দেখা যাচ্ছে, যা অনেকের মতে রক্ত। এই ঘটনাটি সমাজমাধ্যমে মানুষের মধ্যে যেমন আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে, তেমনই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। যদিও ভাইরাল সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কবে এবং কোথায় ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে, তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।
আরও পড়ুন:
‘নাঞ্চু থাপা’ নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, জলে বসে রয়েছেন এক যুবক। দু’হাত দিয়ে নিজের একটি পা আঁকড়ে ধরে উচ্চস্বরে চিৎকার করছেন। তাঁর কণ্ঠস্বর এবং মুখের অভিব্যক্তি দেখে স্পষ্ট যে তিনি তীব্র যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। অনেক দর্শকের ধারণা, জলের নীচে কোনও বিপজ্জনক প্রাণী তাঁর পা কামড়ে ধরে রেখেছে। ভিডিয়োতে কুমিরের মতো একটি প্রাণীর মুখ খানিকটা দেখা গেলেও তা স্পষ্ট ভাবে দেখা যাচ্ছে না। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে যে, জলে লাল রঙের কিছু একটা মিশে যাচ্ছে। এর ফলে নেটাগরিকদের অনেক দাবি করছেন, ওই যুবকটি আহত এবং তাঁর রক্তই জলে মিশছে। তবে ভিডিয়োটি উচ্চমানের না হওয়ার কারণে এটি স্পষ্ট নয় যে লাল রঙটি আসলে রক্ত না অন্য কিছু।
আরও পড়ুন:
ভিডিয়োটি ভাইরাল হওয়ার পর সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে পুরো ঘটনা ক্যামেরাবন্দি করার বিষয়টি। সমাজমাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, যদি সত্যিই কোনও কুমির ওই যুবককে আক্রমণ করে থাকে, তবে যিনি ভিডিয়ো করছিলেন তিনি কেন তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে এলেন না? কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, এমন পরিস্থিতিতে সাধারণত মানুষ ভিডিয়ো না করে আক্রান্ত ব্যক্তিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই ভিডিয়োটির সত্যতা বা বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন:
নেটাগরিকদের একাংশের মতে, ভিডিয়োতে কুমিরটিকে স্পষ্ট ভাবে দেখা যাচ্ছে না এবং অনেকের ধারণা পুরো ঘটনাটিই হয়তো কোনও কেরামতির অংশ। কেউ কেউ মনে করছেন, কেবল মনোযোগ আকর্ষণের জন্যই হয়তো ভিডিয়োটি তৈরি করা হয়েছে। তবে সেই দাবিরও কোনও নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।