অনেক বাবা-মায়ের কাছে নিজেদের চেয়ে সন্তানের জীবনের সাফল্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ছেলের নতুন কেনা বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ গাড়িতে মায়ের প্রথম বার চড়ার একটি ভিডিয়ো সেই স্নিগ্ধ আনন্দের কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কবে এবং কোথায় ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে, তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।
আরও পড়ুন:
‘ট্যাক্স.ডব্লিউ.সিক্স.প্যাক্স’ নামের হ্যান্ডলের ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর শেয়ার করা ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির মা তাঁর সদ্য কেনা বিএমডব্লিউ গাড়ির চালকের আসনে বসেছেন। তাঁর চোখেমুখে তৃপ্তি। গাড়ির বিলাসবহুল অন্দরসজ্জা দেখে স্টিয়ারিং হুইলটি শক্ত করে ধরেন তিনি এবং গাড়িটির প্রতিটি কোণ মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। ক্যামেরার পেছনে থাকা তাঁর পুত্র মাকে গাড়ির বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধাগুলি বুঝিয়ে দিতে থাকেন। ছেলের প্রাণবন্ত কথাবার্তা ও উত্তেজনাপূর্ণ মনোভাব পুরো পরিবেশটিকে আনন্দময় করে তোলে। মাকে নিজের মতো করে গাড়িটি ঘুরে দেখার ও বোঝার জন্য উৎসাহও জোগান তিনি। শুরুতে মহিলাকে বেশ মনোযোগী দেখাচ্ছিল। ছেলের কথা শুনে গাড়ির ড্যাশবোর্ড এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাগুলি খুব খুঁটিয়ে দেখছিলেন তিনি। কিন্তু পুত্রের কথা কথা বলার সময় তাঁর মুখের অভিব্যক্তি ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে। প্রাথমিক বিস্ময় কেটে আনন্দের আভা ফুটে ওঠে তাঁর মুখে। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর মুখে ফুটে ওঠে চওড়া হাসি। সাবধানি কৌতূহল থেকে শুরু করে মুখে চওড়া হাসি— মহিলার অমূল্য প্রতিক্রিয়ার ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। অনলাইনে হাজার হাজার মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে সেই ভিডিয়ো।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল ভিডিয়োর ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘‘মাকে নতুন বিএমডব্লিউ গাড়িটি চালানোর সুযোগ করে দিচ্ছি। এই প্রতিক্রিয়া অমূল্য।’’ ভিডিয়োটি ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন ভাল ভাল মন্তব্য করেছেন, তেমনই আবার মায়ের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য পুত্রের প্রশংসা করেছেন অনেকে। ভিডিয়োটি অনেকের মনেই গভীর দাগ কেটেছে, কারণ এটি এমন এক অনুভূতির প্রতিফলন ঘটায় যা বিলাসবহুল গাড়ি বা পার্থিব সাফল্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘মায়ের হাসিই ছিল ভিডিয়োর সেরা অংশ। ভিডিয়োটি দেখে চোখে জল চলে এল।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘সন্তানের সাফল্যের সাক্ষী হওয়া বাবা-মায়ের জন্য জীবনের অন্যতম সেরা আনন্দের বিষয়।’’